মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার আমতলী এফএম ফেলুদা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মজিবর রহমানের বিরুদ্ধে একই বিদ্যালয়ের আয়া সোহাগী বেগমের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় এলাকাবাজারে ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগকারী সোহাগী বেগমের দাবি, তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে কৌশলে বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে ডেকে নিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন প্রধান শিক্ষক মজিবর রহমান। পরবর্তীতে প্রধান শিক্ষক তাকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি অসহায় হয়ে পড়েন এবং বর্তমানে ন্যায়বিচারের আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। এছাড়া বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য দুই লাখ টাকার বিনিময়ে একটি সমঝোতার চেষ্টা করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে নিরপেক্ষ মাধ্যমে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে প্রধান শিক্ষক মজিবর রহমানের বিরুদ্ধে শুধু নারীঘটিত কেলেঙ্কারিই নয়, বিদ্যালয়ের আর্থিক লেনদেন ও নানা ধরনের অনিয়মের অভিযোগও তুলেছেন স্থানীয় বেশ কয়েকজন ব্যক্তি। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, বিগত সরকারের আমলে তিনি দৌলতপুরের একটি উপদেষ্টা কমিটির সদস্য হিসেবে নিজের প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন অপকর্ম করেছেন। তবে এসব অনিয়মের সপক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট নথি বা নির্ভরযোগ্য প্রমাণ প্রতিবেদকের হাতে পৌঁছায়নি।
এতকিছুর পরও অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক কীভাবে এখনো তার পদে বহাল রয়েছেন, তা নিয়ে স্থানীয় মহলে গভীর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসী ও সচেতন মহল এই সমস্ত অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন এবং সত্যতা প্রমাণিত হলে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।