ঢাকা ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

চিতলমারীতে বাড়িতে ঢুকে কলেজছাত্রকে গুলি করে হত্যা

প্রতিবেদকের নাম, পদবী
  • প্রকাশ : ০৯:৩৯:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
  • / ১৩২ বার পাঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

​বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় দিনের বেলায় বাড়িতে ঢুকে আমির হামজা (২৩) নামে এক কলেজছাত্রকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে উপজেলার শিবপুর গ্রামে এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

​নিহত আমির হামজা শিবপুর গ্রামের রুহুল আমিন মুন্সির ছেলে। তিনি খুলনা সরকারি সুন্দরবন কলেজের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি খুলনার পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কর্মরত ছিলেন।

নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিকেল চারটার দিকে আমির হামজা বাড়ির উঠানে তার বাবা ও চাচার সঙ্গে কথা বলছিলেন। এ সময় তিনটি মোটরসাইকেলে করে হেলমেট পরিহিত ছয়জন যুবক আচমকা বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে। তারা নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে আমির হামজাকে ধাওয়া করে। প্রাণভয়ে হামজা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে বাড়ির পাশের একটি খালের পাড়ে পড়ে যান। সেই সুযোগে দুর্বৃত্তরা তার মাথায় গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

খবর পেয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. শামীম হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, জেলা পুলিশের পাশাপাশি সিআইডি, পিবিআই ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একাধিক দল ঘাতকদের শনাক্ত করতে মাঠে নেমেছে।

​পুলিশ আরও জানায়, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। তবে কী কারণে বা কেন এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

ট্যাগ :

সংবাদটি শেয়ার করুন

চিতলমারীতে বাড়িতে ঢুকে কলেজছাত্রকে গুলি করে হত্যা

প্রকাশ : ০৯:৩৯:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

​বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় দিনের বেলায় বাড়িতে ঢুকে আমির হামজা (২৩) নামে এক কলেজছাত্রকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে উপজেলার শিবপুর গ্রামে এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

​নিহত আমির হামজা শিবপুর গ্রামের রুহুল আমিন মুন্সির ছেলে। তিনি খুলনা সরকারি সুন্দরবন কলেজের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি খুলনার পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কর্মরত ছিলেন।

নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিকেল চারটার দিকে আমির হামজা বাড়ির উঠানে তার বাবা ও চাচার সঙ্গে কথা বলছিলেন। এ সময় তিনটি মোটরসাইকেলে করে হেলমেট পরিহিত ছয়জন যুবক আচমকা বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে। তারা নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে আমির হামজাকে ধাওয়া করে। প্রাণভয়ে হামজা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে বাড়ির পাশের একটি খালের পাড়ে পড়ে যান। সেই সুযোগে দুর্বৃত্তরা তার মাথায় গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

খবর পেয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. শামীম হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, জেলা পুলিশের পাশাপাশি সিআইডি, পিবিআই ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একাধিক দল ঘাতকদের শনাক্ত করতে মাঠে নেমেছে।

​পুলিশ আরও জানায়, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। তবে কী কারণে বা কেন এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।