এআই সেন্টার ও প্রযুক্তিতে জোর দিয়ে বৈশ্বিক সক্ষমতা অর্জন করতে চায় সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী
- প্রকাশ : ০১:৪৮:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ৬৩ বার পাঠিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, বর্তমান বিশ্বের প্রতিযোগিতামূলক বাজারে টিকে থাকতে হলে বাংলাদেশকে দ্রুত প্রযুক্তিগত সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। তিনি জানান, পার্শ্ববর্তী দেশগুলো যখন বড় বড় ডিজিটাল স্কিম এবং সরকারি কর্মকর্তাদের এআই (AI) প্রশিক্ষণে বিনিয়োগ করছে, তখন আমাদের পিছিয়ে থাকার কোনো সুযোগ নেই।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সরকারি কর্মকর্তা ও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, “আমরা পিছিয়ে থাকলে বিশ্ব আমাদের করুণার দৃষ্টিতে দেখবে। তাই আগামী পাঁচ বছরের প্রতিটি দিনকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে বৈশ্বিক অবস্থানে এগিয়ে নিতে সরকার অত্যন্ত আন্তরিকভাবে কাজ করছে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী জনগণের জীবনমান উন্নয়নের কাজগুলোই হবে সরকারের অগ্রাধিকার।
সিলেটের উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে খন্দকার মুক্তাদির বলেন, সিলেটে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও আইটি খাতের প্রসারে বিশেষ জোর দেওয়া হবে। এরই অংশ হিসেবে তিনি সিলেটে একটি অত্যাধুনিক ‘এআই (AI) সেন্টার’ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা দেন।
আইটি পার্কে কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, “বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে হলে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং লাল ফিতার দৌরাত্ম্য কমাতে হবে।” তিনি জানান, সিলেটে প্রবাসী ও দেশীয় বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ নীতি-সহায়তা প্রয়োজন। সরকার সকল বাধা দূর করে একটি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করছে, যার প্রতিফলন খুব দ্রুতই দেখা যাবে।
নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখা মন্ত্রণালয়ের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। বিশেষ করে রমজান মাসে এই চ্যালেঞ্জ আরও বেড়ে যায়। তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, “আমাদের হাতে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে, যা বাজারমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য যথেষ্ট। দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই রোজা চলে আসায় প্রস্তুতির সময় কম থাকলেও, মজুত পরিস্থিতির কারণে আমরা আশাবাদী।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য এম এ মালিক, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী, রেঞ্জ ডিআইজি মো. মুশফেকুর রহমান, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরীসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।



