ঢাকা ০৮:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা: শাহ আমানতে একদিনে ৭ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

প্রতিবেদকের নাম, পদবী
  • প্রকাশ : ১২:৩২:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
  • / ৩৫ বার পাঠিত

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে আকাশপথে। এর ফলে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল পুনরায় স্থবির হয়ে পড়েছে। সর্বশেষ শনিবার (২৮ মার্চ) মধ্যপ্রাচ্যগামী ও সেখান থেকে আসা বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মোট ৭টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে বলে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।

​চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল জানান, শনিবার বাতিল হওয়া ফ্লাইটের মধ্যে রয়েছে:

​বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস: ১টি অ্যারাইভাল (আগমনি) ও ১টি ডিপার্চার (বহির্গমন) ফ্লাইট।

​ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস: দোহার ১টি ডিপার্চার ফ্লাইট।

​এয়ার আরাবিয়া: শারজাহর ১টি অ্যারাইভাল ও ১টি ডিপার্চার ফ্লাইট।

​সালাম এয়ার: মাস্কাটের ১টি অ্যারাইভাল ও ১টি ডিপার্চার ফ্লাইট।

​তবে সংকটের মধ্যেও এদিন বিভিন্ন এয়ারলাইনসের ৫টি অ্যারাইভাল এবং ৪টি ডিপার্চার ফ্লাইট কোনোমতে সচল ছিল।

​বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, সালাম এয়ার, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ, দুবাই এবং আবুধাবি রুটের ফ্লাইটগুলোর অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধাবস্থা শুরু হওয়ার পর এ পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ২০৮টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করতে হয়েছে।

​ফ্লাইট বাতিলের এই ধারাবাহিকতায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন মধ্যপ্রাচ্যগামী প্রবাসী শ্রমিকরা। নির্দিষ্ট সময়ে কর্মস্থলে ফিরতে না পারায় অনেকের ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এছাড়া দেশে ফেরার অপেক্ষায় থাকা প্রবাসীরাও আটকা পড়েছেন বিদেশের বিমানবন্দরগুলোতে।

​পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসগুলো। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ট্যাগ :

সংবাদটি শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা: শাহ আমানতে একদিনে ৭ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

প্রকাশ : ১২:৩২:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে আকাশপথে। এর ফলে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল পুনরায় স্থবির হয়ে পড়েছে। সর্বশেষ শনিবার (২৮ মার্চ) মধ্যপ্রাচ্যগামী ও সেখান থেকে আসা বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মোট ৭টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে বলে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।

​চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল জানান, শনিবার বাতিল হওয়া ফ্লাইটের মধ্যে রয়েছে:

​বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস: ১টি অ্যারাইভাল (আগমনি) ও ১টি ডিপার্চার (বহির্গমন) ফ্লাইট।

​ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস: দোহার ১টি ডিপার্চার ফ্লাইট।

​এয়ার আরাবিয়া: শারজাহর ১টি অ্যারাইভাল ও ১টি ডিপার্চার ফ্লাইট।

​সালাম এয়ার: মাস্কাটের ১টি অ্যারাইভাল ও ১টি ডিপার্চার ফ্লাইট।

​তবে সংকটের মধ্যেও এদিন বিভিন্ন এয়ারলাইনসের ৫টি অ্যারাইভাল এবং ৪টি ডিপার্চার ফ্লাইট কোনোমতে সচল ছিল।

​বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, সালাম এয়ার, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ, দুবাই এবং আবুধাবি রুটের ফ্লাইটগুলোর অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধাবস্থা শুরু হওয়ার পর এ পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ২০৮টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করতে হয়েছে।

​ফ্লাইট বাতিলের এই ধারাবাহিকতায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন মধ্যপ্রাচ্যগামী প্রবাসী শ্রমিকরা। নির্দিষ্ট সময়ে কর্মস্থলে ফিরতে না পারায় অনেকের ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এছাড়া দেশে ফেরার অপেক্ষায় থাকা প্রবাসীরাও আটকা পড়েছেন বিদেশের বিমানবন্দরগুলোতে।

​পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসগুলো। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।