ঢাকা ০৩:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬

চকমিরপুরকে আধুনিক ও মাদকমুক্ত রোল মডেল ইউনিয়ন করার অঙ্গীকার চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী  মিলন হোসেনের

স্টাফ রিপোর্টার: নান্নু মিয়া
  • প্রকাশ : ০৮:০৩:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
  • / ২৪ বার পাঠিত

দৌলতপুর উপজেলার আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চকমিরপুর ইউনিয়নে জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচারণা। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে সার্বক্ষণিক গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন  চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ মিলন হোসেন। প্রবীণদের দোয়া ও তরুণদের সমর্থন প্রত্যাশা করে ইউনিয়নের প্রতিটি হাট-বাজার ও পাড়া-মহল্লায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিয়মিত উঠান বৈঠক ও মতবিনিময় চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

​বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে টানা ২৩ বছর সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন শেষে অবসরে আসা সাবেক এই সেনাসদস্য এবার সম্পূর্ণভাবে নিজ এলাকার জনসেবা ও সার্বিক উন্নয়নে আত্মনিয়োগ করতে চান।

​প্রচারণাকালে নিজের উন্নয়ন ভাবনার কথা তুলে ধরে মোঃ মিলন হোসেন জানান, অবহেলিত চকমিরপুরকে একটি দৃষ্টিনন্দন, দুর্নীতিমুক্ত ও আধুনিক রোল মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলাই তাঁর মূল লক্ষ্য। অবকাঠামোগত কাঠামোর জোরদারে কাঁচা ও জরাজীর্ণ রাস্তাঘাট সংস্কার, উন্নত টেকসই ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণ এবং নাগরিক সেবা পাওয়ার প্রক্রিয়াকে সহজ ও স্বচ্ছ করার ওপর বিশেষ জোর দেন তিনি।

​তরুণ প্রজন্মকে মাদকের বিভীষিকা থেকে রক্ষার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তিনি জানান, নির্বাচিত হলে চকমিরপুর ইউনিয়নে মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে। অপরাধমূলক চক্র ও মাদক কারবারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি যুবসমাজকে খেলাধুলা ও গঠনমূলক সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে উদ্বুদ্ধ করা হবে।

​এলাকার অন্যতম জটিল সংকট অনিয়ন্ত্রিত নদী ভাঙন ও অবৈধ বালু উত্তোলন প্রসঙ্গে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করে সাবেক এই সেনাসদস্য বলেন, অপরিকল্পিত বালু উত্তোলনের ফলে প্রতি বছর কৃষকের ভিটেমাটি ও আবাদি জমি নদীগর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে এবং মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রাকৃতিক পরিবেশ। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে বালুখেকোদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

​সাধারণ ও শ্রমজীবী মানুষের অধিকার রক্ষায় শেষ পর্যন্ত পাশে থাকার অঙ্গীকার করে মিলন হোসেন জানান, এ জনপদের মানুষের মৌলিক সেবা নিশ্চিত করতে ও একটি নিরাপদ-শান্তিপূর্ণ সমাজ উপহার দিতে তিনি যেকোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত।

​এদিকে, অবঃ প্রাপ্ত সেনা সদস্যের এমন জনমুখী সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা, সততা ও স্পষ্টভাষী নেতৃত্বের অঙ্গীকার ইতিবাচকভাবে দেখছেন চকমিরপুর ইউনিয়নের সর্বস্তরের ভোটাররা। তাঁর গণসংযোগকে ঘিরে এলাকা জুড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।

ট্যাগ :

সংবাদটি শেয়ার করুন

চকমিরপুরকে আধুনিক ও মাদকমুক্ত রোল মডেল ইউনিয়ন করার অঙ্গীকার চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী  মিলন হোসেনের

প্রকাশ : ০৮:০৩:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

দৌলতপুর উপজেলার আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চকমিরপুর ইউনিয়নে জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচারণা। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে সার্বক্ষণিক গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন  চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ মিলন হোসেন। প্রবীণদের দোয়া ও তরুণদের সমর্থন প্রত্যাশা করে ইউনিয়নের প্রতিটি হাট-বাজার ও পাড়া-মহল্লায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিয়মিত উঠান বৈঠক ও মতবিনিময় চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

​বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে টানা ২৩ বছর সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন শেষে অবসরে আসা সাবেক এই সেনাসদস্য এবার সম্পূর্ণভাবে নিজ এলাকার জনসেবা ও সার্বিক উন্নয়নে আত্মনিয়োগ করতে চান।

​প্রচারণাকালে নিজের উন্নয়ন ভাবনার কথা তুলে ধরে মোঃ মিলন হোসেন জানান, অবহেলিত চকমিরপুরকে একটি দৃষ্টিনন্দন, দুর্নীতিমুক্ত ও আধুনিক রোল মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলাই তাঁর মূল লক্ষ্য। অবকাঠামোগত কাঠামোর জোরদারে কাঁচা ও জরাজীর্ণ রাস্তাঘাট সংস্কার, উন্নত টেকসই ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণ এবং নাগরিক সেবা পাওয়ার প্রক্রিয়াকে সহজ ও স্বচ্ছ করার ওপর বিশেষ জোর দেন তিনি।

​তরুণ প্রজন্মকে মাদকের বিভীষিকা থেকে রক্ষার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তিনি জানান, নির্বাচিত হলে চকমিরপুর ইউনিয়নে মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে। অপরাধমূলক চক্র ও মাদক কারবারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি যুবসমাজকে খেলাধুলা ও গঠনমূলক সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে উদ্বুদ্ধ করা হবে।

​এলাকার অন্যতম জটিল সংকট অনিয়ন্ত্রিত নদী ভাঙন ও অবৈধ বালু উত্তোলন প্রসঙ্গে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করে সাবেক এই সেনাসদস্য বলেন, অপরিকল্পিত বালু উত্তোলনের ফলে প্রতি বছর কৃষকের ভিটেমাটি ও আবাদি জমি নদীগর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে এবং মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রাকৃতিক পরিবেশ। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে বালুখেকোদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

​সাধারণ ও শ্রমজীবী মানুষের অধিকার রক্ষায় শেষ পর্যন্ত পাশে থাকার অঙ্গীকার করে মিলন হোসেন জানান, এ জনপদের মানুষের মৌলিক সেবা নিশ্চিত করতে ও একটি নিরাপদ-শান্তিপূর্ণ সমাজ উপহার দিতে তিনি যেকোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত।

​এদিকে, অবঃ প্রাপ্ত সেনা সদস্যের এমন জনমুখী সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা, সততা ও স্পষ্টভাষী নেতৃত্বের অঙ্গীকার ইতিবাচকভাবে দেখছেন চকমিরপুর ইউনিয়নের সর্বস্তরের ভোটাররা। তাঁর গণসংযোগকে ঘিরে এলাকা জুড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।