ঢাকা ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬

অক্টোবর ও নভেম্বরে এলএনজি আমদানিতে ঘাটতি থাকবে না: পেট্রোবাংলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশ : ০৮:২২:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৯ বার পাঠিত

​আসন্ন অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে দেশে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানিতে কোনো ঘাটতি থাকবে না বলে নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ কর্পোরেশন (পেট্রোবাংলা)। সার্বিক চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে আগামী দুই মাসে মোট ১৯ কার্গো এলএনজি আমদানি করার বিষয় চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে অক্টোবরে ১০ কার্গো এবং নভেম্বরে ৯ কার্গো এলএনজি দেশে এসে পৌঁছাবে।

​পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় গ্রিডে এলএনজি থেকে গ্যাস সরবরাহ নির্বিঘ্ন রাখতে ধারাবাহিকভাবে প্রতি মাসে পরবর্তী তিন মাসের প্রয়োজনীয় সরবরাহ নিশ্চিতের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। এতে করে আগামী দিনগুলোতে এলএনজি সরবরাহে বড় কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। জ্বালানি বিভাগের অনুমোদনে এই আমদানির পুরো প্রক্রিয়া তদারক করছে পেট্রোবাংলা এবং তা বাস্তবায়নে দায়িত্ব পালন করছে রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল)।

​আমদানির উৎস ও সূচি:

অক্টোবর মাসে নির্ধারিত ১০ কার্গো এলএনজির মধ্যে স্পট মার্কেট থেকে ৩ কার্গো, দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় ২ কার্গো এবং স্বল্পমেয়াদি চুক্তির মাধ্যমে ৫ কার্গো আনা হবে। অন্যদিকে, নভেম্বর মাসের ৯ কার্গোর মধ্যে ৬ কার্গো দীর্ঘমেয়াদি এবং ৩ কার্গো স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় দেশে আসবে। এসব এলএনজি যুক্তরাষ্ট্র, নাইজেরিয়া, অ্যাঙ্গোলা এবং অস্ট্রেলিয়া সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।

​সরবরাহ ও বিতরণ প্রক্রিয়া:

আরপিজিসিএলের তথ্যমতে, প্রতিটি কার্গোতে প্রায় ৩২ লাখ মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট (এমএমবিটিইউ) এলএনজি থাকে। সে হিসাবে আগামী দুই মাসে মোট প্রায় ৬ কোটি ৮ লাখ এমএমবিটিইউ এলএনজি জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। সমুদ্রপথে আমদানি করা এই এলএনজি প্রথমে দেশের টার্মিনালে এনে পুনঃগ্যাসীকরণ করা হয় এবং পরবর্তীতে পাইপলাইনের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করে বিভিন্ন খাতে ব্যবহার করা হয়।

​দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় সাধারণত কাতারভিত্তিক কাতার এনার্জি এবং ওমানের ওকিউ ট্রেডিং বাংলাদেশকে এলএনজি সরবরাহ করে থাকে। পাশাপাশি চাহিদা মেটাতে প্রয়োজন অনুযায়ী আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেট থেকেও কার্গো ক্রয় করা হয়। সময়মতো এসব কার্গো দেশে পৌঁছালে আগামী কয়েক মাস গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকবে বলে প্রত্যাশা পেট্রোবাংলার।

ট্যাগ :

সংবাদটি শেয়ার করুন

অক্টোবর ও নভেম্বরে এলএনজি আমদানিতে ঘাটতি থাকবে না: পেট্রোবাংলা

প্রকাশ : ০৮:২২:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

​আসন্ন অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে দেশে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানিতে কোনো ঘাটতি থাকবে না বলে নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ কর্পোরেশন (পেট্রোবাংলা)। সার্বিক চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে আগামী দুই মাসে মোট ১৯ কার্গো এলএনজি আমদানি করার বিষয় চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে অক্টোবরে ১০ কার্গো এবং নভেম্বরে ৯ কার্গো এলএনজি দেশে এসে পৌঁছাবে।

​পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় গ্রিডে এলএনজি থেকে গ্যাস সরবরাহ নির্বিঘ্ন রাখতে ধারাবাহিকভাবে প্রতি মাসে পরবর্তী তিন মাসের প্রয়োজনীয় সরবরাহ নিশ্চিতের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। এতে করে আগামী দিনগুলোতে এলএনজি সরবরাহে বড় কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। জ্বালানি বিভাগের অনুমোদনে এই আমদানির পুরো প্রক্রিয়া তদারক করছে পেট্রোবাংলা এবং তা বাস্তবায়নে দায়িত্ব পালন করছে রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল)।

​আমদানির উৎস ও সূচি:

অক্টোবর মাসে নির্ধারিত ১০ কার্গো এলএনজির মধ্যে স্পট মার্কেট থেকে ৩ কার্গো, দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় ২ কার্গো এবং স্বল্পমেয়াদি চুক্তির মাধ্যমে ৫ কার্গো আনা হবে। অন্যদিকে, নভেম্বর মাসের ৯ কার্গোর মধ্যে ৬ কার্গো দীর্ঘমেয়াদি এবং ৩ কার্গো স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় দেশে আসবে। এসব এলএনজি যুক্তরাষ্ট্র, নাইজেরিয়া, অ্যাঙ্গোলা এবং অস্ট্রেলিয়া সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।

​সরবরাহ ও বিতরণ প্রক্রিয়া:

আরপিজিসিএলের তথ্যমতে, প্রতিটি কার্গোতে প্রায় ৩২ লাখ মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট (এমএমবিটিইউ) এলএনজি থাকে। সে হিসাবে আগামী দুই মাসে মোট প্রায় ৬ কোটি ৮ লাখ এমএমবিটিইউ এলএনজি জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। সমুদ্রপথে আমদানি করা এই এলএনজি প্রথমে দেশের টার্মিনালে এনে পুনঃগ্যাসীকরণ করা হয় এবং পরবর্তীতে পাইপলাইনের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করে বিভিন্ন খাতে ব্যবহার করা হয়।

​দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় সাধারণত কাতারভিত্তিক কাতার এনার্জি এবং ওমানের ওকিউ ট্রেডিং বাংলাদেশকে এলএনজি সরবরাহ করে থাকে। পাশাপাশি চাহিদা মেটাতে প্রয়োজন অনুযায়ী আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেট থেকেও কার্গো ক্রয় করা হয়। সময়মতো এসব কার্গো দেশে পৌঁছালে আগামী কয়েক মাস গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকবে বলে প্রত্যাশা পেট্রোবাংলার।