ঢাকা ০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬

শিবালয় ও দৌলতপুরে সার পাচারের অভিযোগ: ডিলার পয়েন্ট থেকে উলাইল ও ঘিওরে সার সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার: নান্নু মিয়া
  • প্রকাশ : ০৩:১৩:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
  • / ১৮ বার পাঠিত

মানিকগঞ্জের শিবালয় ও দৌলতপুর উপজেলায় সরকারি ভর্তুকির সার বরাদ্দকৃত এলাকা থেকে সরিয়ে অন্য এলাকায় পাচারের অভিযোগ উঠেছে। এর মধ্যে দৌলতপুর উপজেলার ধামেশ্বর ইউনিয়নের উলাইল গ্রামে এবং শিবালয় উপজেলার উথুলি ইউনিয়নের নয়াবাড়ি বাজারে ডিলার টিটুর পয়েন্ট থেকে নিয়মের বাইরে সার সরবরাহের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

​স্থানীয় সূত্র ও খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শিবালয়ের ডিলারদের সার নির্ধারিত এলাকা বা পয়েন্টে সঠিকভাবে সরবরাহ না করে অন্য উপজেলায় বা ইউনিয়নে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে শিবালয়ের সাহা এন্টারপ্রাইজ এবং নয়াবাড়ি বাজারের ডিলার টিটুর পয়েন্ট থেকে সার অন্য এলাকায় স্থানান্তরের তথ্য পাওয়া গেছে।

​নিয়ম অনুযায়ী, নির্ধারিত বিক্রয় এলাকার বাইরে যথাযথ অনুমোদন ছাড়া আন্তঃউপজেলা বা আন্তঃইউনিয়ন সার সরবরাহ করার সুযোগ নেই। তবে ২০২৬ সালের সংশোধিত নীতিমালায় উল্লেখ রয়েছে যে, প্রয়োজন সাপেক্ষে মনিটরিং কমিটির মাধ্যমে সার স্থানান্তরের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। তাই প্রতিটি ক্ষেত্রে সঠিক অনুমোদন এবং নথিপত্র যাচাই করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

​এর আগে ২০২৫ সালের ৩ নভেম্বর শিবালয়ের টেপড়া বাজারের মেসার্স সাহা এন্টারপ্রাইজের ডিলার রতন সাহার বিরুদ্ধে ঘিওরে সার সরবরাহের অভিযোগ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল। ওই সময় উলাইল ইউনিয়নের স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে তীব্র সারসংকট দেখা দেওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছিল। তবে বর্তমান অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করতে নিরপেক্ষ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত প্রয়োজন।

​কৃষকদের মাঝে সার সংকট রোধে এবং ডিলারদের অনিয়ম ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা। প্রকৃত মজুতের তথ্য আড়াল করতে বরাদ্দ, উত্তোলন ও বিক্রির হিসাবে কোনো অসংগতি রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে মাঠপর্যায়ে নিবিড় তদারকি প্রয়োজন।

ট্যাগ :

সংবাদটি শেয়ার করুন

শিবালয় ও দৌলতপুরে সার পাচারের অভিযোগ: ডিলার পয়েন্ট থেকে উলাইল ও ঘিওরে সার সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

প্রকাশ : ০৩:১৩:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

মানিকগঞ্জের শিবালয় ও দৌলতপুর উপজেলায় সরকারি ভর্তুকির সার বরাদ্দকৃত এলাকা থেকে সরিয়ে অন্য এলাকায় পাচারের অভিযোগ উঠেছে। এর মধ্যে দৌলতপুর উপজেলার ধামেশ্বর ইউনিয়নের উলাইল গ্রামে এবং শিবালয় উপজেলার উথুলি ইউনিয়নের নয়াবাড়ি বাজারে ডিলার টিটুর পয়েন্ট থেকে নিয়মের বাইরে সার সরবরাহের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

​স্থানীয় সূত্র ও খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শিবালয়ের ডিলারদের সার নির্ধারিত এলাকা বা পয়েন্টে সঠিকভাবে সরবরাহ না করে অন্য উপজেলায় বা ইউনিয়নে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে শিবালয়ের সাহা এন্টারপ্রাইজ এবং নয়াবাড়ি বাজারের ডিলার টিটুর পয়েন্ট থেকে সার অন্য এলাকায় স্থানান্তরের তথ্য পাওয়া গেছে।

​নিয়ম অনুযায়ী, নির্ধারিত বিক্রয় এলাকার বাইরে যথাযথ অনুমোদন ছাড়া আন্তঃউপজেলা বা আন্তঃইউনিয়ন সার সরবরাহ করার সুযোগ নেই। তবে ২০২৬ সালের সংশোধিত নীতিমালায় উল্লেখ রয়েছে যে, প্রয়োজন সাপেক্ষে মনিটরিং কমিটির মাধ্যমে সার স্থানান্তরের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। তাই প্রতিটি ক্ষেত্রে সঠিক অনুমোদন এবং নথিপত্র যাচাই করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

​এর আগে ২০২৫ সালের ৩ নভেম্বর শিবালয়ের টেপড়া বাজারের মেসার্স সাহা এন্টারপ্রাইজের ডিলার রতন সাহার বিরুদ্ধে ঘিওরে সার সরবরাহের অভিযোগ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল। ওই সময় উলাইল ইউনিয়নের স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে তীব্র সারসংকট দেখা দেওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছিল। তবে বর্তমান অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করতে নিরপেক্ষ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত প্রয়োজন।

​কৃষকদের মাঝে সার সংকট রোধে এবং ডিলারদের অনিয়ম ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা। প্রকৃত মজুতের তথ্য আড়াল করতে বরাদ্দ, উত্তোলন ও বিক্রির হিসাবে কোনো অসংগতি রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে মাঠপর্যায়ে নিবিড় তদারকি প্রয়োজন।