ঢাকা ১০:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬

ধামরাইয়ে আবাসিক এলাকার পাশে অবৈধভাবে ইট উৎপাদন, পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা

প্রতিবেদকের নাম, পদবী
  • প্রকাশ : ০৪:১৩:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ৮১ বার পাঠিত

নান্নু মিয়া:

ধামরাই উপজেলার সূয়াপুর এলাকায় মেসার্স এস আর এম ব্রিকস নামে একটি ইটভাটা দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে ইট উৎপাদন করে আসছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভাটাটির মালিক ফারুক হাসান তুহিন স্থানীয় প্রশাসনের কোনো অনুমোদন ছাড়াই ইট তৈরি ও বিক্রি করছেন বলে এলাকার সাধারণ মানুষের দাবি।
সরেজমিনে দেখা যায়, ভাটার আশেপাশে রয়েছে ঘনবসতিপূর্ণ বসতবাড়ি। দিনরাত কালো ধোঁয়া বের হওয়ায় এলাকাবাসীর জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও রোগীরা দূষিত বাতাসে শ্বাসকষ্ট, চোখ ও চামড়ার রোগে ভুগছেন বলে জানান স্থানীয়রা।
পরিবেশ আইন অনুযায়ী আবাসিক এলাকার পাশে ইটভাটা স্থাপন পুরোপুরি নিষিদ্ধ। কিন্তু সমস্ত নিয়ম-নীতি অমান্য করে এই ভাটা একাধিক সিজনে ইট উৎপাদন করছে। আশেপাশের চাষযোগ্য জমির উর্বরতা হারিয়ে যাচ্ছে, ফলে কৃষকরাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন—
“এই ভাটার ধোঁয়া ও দূষণে আমরা প্রতিদিন স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছি। প্রশাসনকে বহুবার জানিয়েও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।”
এদিকে পরিবেশবাদীরা বলছেন,
“অবৈধ ইটভাটা বন্ধ না হলে ভবিষ্যতে ধামরাই অঞ্চলের পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যে ভয়াবহ প্রভাব পড়বে।”
এ বিষয়ে ভাটার মালিক ফারুক হাসান তুহিনের মন্তব্য জানা যায়নি।
স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত অভিযান চালিয়ে অবৈধ ইট উৎপাদন বন্ধ এবং বসতবাড়ি সংরক্ষণে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ট্যাগ :

সংবাদটি শেয়ার করুন

ধামরাইয়ে আবাসিক এলাকার পাশে অবৈধভাবে ইট উৎপাদন, পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা

প্রকাশ : ০৪:১৩:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫

নান্নু মিয়া:

ধামরাই উপজেলার সূয়াপুর এলাকায় মেসার্স এস আর এম ব্রিকস নামে একটি ইটভাটা দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে ইট উৎপাদন করে আসছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভাটাটির মালিক ফারুক হাসান তুহিন স্থানীয় প্রশাসনের কোনো অনুমোদন ছাড়াই ইট তৈরি ও বিক্রি করছেন বলে এলাকার সাধারণ মানুষের দাবি।
সরেজমিনে দেখা যায়, ভাটার আশেপাশে রয়েছে ঘনবসতিপূর্ণ বসতবাড়ি। দিনরাত কালো ধোঁয়া বের হওয়ায় এলাকাবাসীর জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও রোগীরা দূষিত বাতাসে শ্বাসকষ্ট, চোখ ও চামড়ার রোগে ভুগছেন বলে জানান স্থানীয়রা।
পরিবেশ আইন অনুযায়ী আবাসিক এলাকার পাশে ইটভাটা স্থাপন পুরোপুরি নিষিদ্ধ। কিন্তু সমস্ত নিয়ম-নীতি অমান্য করে এই ভাটা একাধিক সিজনে ইট উৎপাদন করছে। আশেপাশের চাষযোগ্য জমির উর্বরতা হারিয়ে যাচ্ছে, ফলে কৃষকরাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন—
“এই ভাটার ধোঁয়া ও দূষণে আমরা প্রতিদিন স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছি। প্রশাসনকে বহুবার জানিয়েও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।”
এদিকে পরিবেশবাদীরা বলছেন,
“অবৈধ ইটভাটা বন্ধ না হলে ভবিষ্যতে ধামরাই অঞ্চলের পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যে ভয়াবহ প্রভাব পড়বে।”
এ বিষয়ে ভাটার মালিক ফারুক হাসান তুহিনের মন্তব্য জানা যায়নি।
স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত অভিযান চালিয়ে অবৈধ ইট উৎপাদন বন্ধ এবং বসতবাড়ি সংরক্ষণে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।