ঢাকা ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

নেপালে ভয়াবহ বন্যা: হিমবাহ ধসে পানিবন্দী পানিবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ থেকে তিন শতাধিক মানুষ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশ : ০৩:৪২:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
  • / ৪ বার পাঠিত

 

​নেপালের উত্তর সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা ও হিমবাহ ধসের ঘটনায় মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বেশ কিছু জনপদ ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো। গত বুধবার ঘটা এই আকস্মিক দুর্যোগে ত্রিশূলী-৩ ‘এ’ সহ বিভিন্ন পানিবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আটকা পড়েন শত শত শ্রমিক ও স্থানীয় বাসিন্দা।

​প্রতিকূল আবহাওয়া ও দ্রুতগতির বন্যার পানির প্রবল ঝুঁকি সত্ত্বেও নেপাল সেনাবাহিনীর একটি উদ্ধারকারী দল শুক্রবার দুটি হেলিকপ্টার ব্যবহার করে সফলভাবে ৩৫০ জনকে নিরাপদে উদ্ধার করেছে। তবে একই সুড়ঙ্গে আটকা পড়া আরও প্রায় একশ জনকে উদ্ধারে এখনও অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে সেনাবাহিনী।

​উদ্ধার হওয়া শ্রমিক ও বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিরা এই আকস্মিক দুর্যোগের ভয়াবহতা তুলে ধরে জানিয়েছেন, মুহূর্তের মধ্যে ধেয়ে আসা জলের স্রোত সবকিছু ভাসিয়ে নিয়ে গেছে। অনেক সহকর্মী স্রোতে ভেসে গেছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই দুর্যোগের কারণে পার্বত্য অঞ্চলের সড়ক ও সেতুগুলো ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

​মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)-এর তথ্য অনুযায়ী, হিমবাহ ধসে পড়ার কারণেই এই আকস্মিক ও প্রলয়ঙ্করী বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে হিমবাহ গলে যাওয়ায় এ ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি দিন দিন বিপজ্জনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। পানিবন্দী ও ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানে প্রশাসনের পক্ষ থেকে উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগ :

সংবাদটি শেয়ার করুন

নেপালে ভয়াবহ বন্যা: হিমবাহ ধসে পানিবন্দী পানিবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ থেকে তিন শতাধিক মানুষ উদ্ধার

প্রকাশ : ০৩:৪২:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

 

​নেপালের উত্তর সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা ও হিমবাহ ধসের ঘটনায় মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বেশ কিছু জনপদ ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো। গত বুধবার ঘটা এই আকস্মিক দুর্যোগে ত্রিশূলী-৩ ‘এ’ সহ বিভিন্ন পানিবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আটকা পড়েন শত শত শ্রমিক ও স্থানীয় বাসিন্দা।

​প্রতিকূল আবহাওয়া ও দ্রুতগতির বন্যার পানির প্রবল ঝুঁকি সত্ত্বেও নেপাল সেনাবাহিনীর একটি উদ্ধারকারী দল শুক্রবার দুটি হেলিকপ্টার ব্যবহার করে সফলভাবে ৩৫০ জনকে নিরাপদে উদ্ধার করেছে। তবে একই সুড়ঙ্গে আটকা পড়া আরও প্রায় একশ জনকে উদ্ধারে এখনও অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে সেনাবাহিনী।

​উদ্ধার হওয়া শ্রমিক ও বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিরা এই আকস্মিক দুর্যোগের ভয়াবহতা তুলে ধরে জানিয়েছেন, মুহূর্তের মধ্যে ধেয়ে আসা জলের স্রোত সবকিছু ভাসিয়ে নিয়ে গেছে। অনেক সহকর্মী স্রোতে ভেসে গেছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই দুর্যোগের কারণে পার্বত্য অঞ্চলের সড়ক ও সেতুগুলো ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

​মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)-এর তথ্য অনুযায়ী, হিমবাহ ধসে পড়ার কারণেই এই আকস্মিক ও প্রলয়ঙ্করী বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে হিমবাহ গলে যাওয়ায় এ ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি দিন দিন বিপজ্জনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। পানিবন্দী ও ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানে প্রশাসনের পক্ষ থেকে উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।