ঢাকা ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মানিকগঞ্জের শিবালয়ের জাফরগঞ্জে কেমিক্যালে জিলাপি তৈরির অভিযোগ, তথ্য সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিক হেনস্তা

স্টাফ রিপোর্টার: নান্নু মিয়া
  • প্রকাশ : ০৩:৩৯:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৩৩ বার পাঠিত

​মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার জাফরগঞ্জ বাজারে সরিষার তেলের পরিবর্তে কৃত্রিম রং ও হাইড্রোজসহ ক্ষতিকর কেমিক্যাল মিশিয়ে জিলাপি ভাজার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ‘মামা ভাগ্নে হোটেল অ্যান্ড সুইটস-এ দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের অস্বাস্থ্যকর ও বিষাক্ত খাদ্যপণ্য তৈরি ও বিক্রি করা হচ্ছে।

​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দোকানের প্রোপাইটর সঞ্জয় দত্ত দীর্ঘদিন ধরে এই প্রতারণা চালিয়ে আসছেন। কেমিক্যালযুক্ত এসব জিলাপি খেয়ে শিশুসহ সব বয়সি মানুষ স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব বিষাক্ত কেমিক্যালযুক্ত খাবার নিয়মিত গ্রহণের ফলে মানুষের ক্যান্সারসহ বিভিন্ন জটিল ও মারাত্মক রোগ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে, এই অনিয়ম ও অনিরাপদ খাদ্য প্রস্তুতের সত্যতা যাচাই করতে দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের স্থানীয় প্রতিনিধি মো. বাদশা মিয়া ওই দোকানে গেলে তাকে বাধা দেওয়া হয়। এ সময় সঞ্জয় দত্ত ও তার সহযোগীরা স্থানীয় লোকজনকে উসকে দিয়ে একটি মব সৃষ্টি করে সাংবাদিককে হেনস্তা করেন এবং তার ওপর চড়াও হন।

​ভুক্তভোগী সাংবাদিক মো. বাদশা মিয়া জানান, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সত্য তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে তার ওপর হামলার চেষ্টা চালানো হয় এবং তার জানমালের নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে ফেলা হয়। এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রোপাইটর সঞ্জয় দত্তের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

​জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তা অধিকারের তোয়াক্কা না করে বিষাক্ত কেমিক্যাল দিয়ে খাবার তৈরির এমন ঘটনায় এলাকাবাসীর মাঝে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। সাধারণ মানুষ অবিলম্বে এ ধরনের অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরসহ স্থানীয় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ট্যাগ :

সংবাদটি শেয়ার করুন

মানিকগঞ্জের শিবালয়ের জাফরগঞ্জে কেমিক্যালে জিলাপি তৈরির অভিযোগ, তথ্য সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিক হেনস্তা

প্রকাশ : ০৩:৩৯:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

​মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার জাফরগঞ্জ বাজারে সরিষার তেলের পরিবর্তে কৃত্রিম রং ও হাইড্রোজসহ ক্ষতিকর কেমিক্যাল মিশিয়ে জিলাপি ভাজার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ‘মামা ভাগ্নে হোটেল অ্যান্ড সুইটস-এ দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের অস্বাস্থ্যকর ও বিষাক্ত খাদ্যপণ্য তৈরি ও বিক্রি করা হচ্ছে।

​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দোকানের প্রোপাইটর সঞ্জয় দত্ত দীর্ঘদিন ধরে এই প্রতারণা চালিয়ে আসছেন। কেমিক্যালযুক্ত এসব জিলাপি খেয়ে শিশুসহ সব বয়সি মানুষ স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব বিষাক্ত কেমিক্যালযুক্ত খাবার নিয়মিত গ্রহণের ফলে মানুষের ক্যান্সারসহ বিভিন্ন জটিল ও মারাত্মক রোগ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে, এই অনিয়ম ও অনিরাপদ খাদ্য প্রস্তুতের সত্যতা যাচাই করতে দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের স্থানীয় প্রতিনিধি মো. বাদশা মিয়া ওই দোকানে গেলে তাকে বাধা দেওয়া হয়। এ সময় সঞ্জয় দত্ত ও তার সহযোগীরা স্থানীয় লোকজনকে উসকে দিয়ে একটি মব সৃষ্টি করে সাংবাদিককে হেনস্তা করেন এবং তার ওপর চড়াও হন।

​ভুক্তভোগী সাংবাদিক মো. বাদশা মিয়া জানান, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সত্য তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে তার ওপর হামলার চেষ্টা চালানো হয় এবং তার জানমালের নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে ফেলা হয়। এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রোপাইটর সঞ্জয় দত্তের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

​জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তা অধিকারের তোয়াক্কা না করে বিষাক্ত কেমিক্যাল দিয়ে খাবার তৈরির এমন ঘটনায় এলাকাবাসীর মাঝে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। সাধারণ মানুষ অবিলম্বে এ ধরনের অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরসহ স্থানীয় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।