জেল-জুলুম সহ্য করে রাজপথে থাকা সাবেক যুবদল নেতা আব্দুল রহিম এবার চকমিরপুর ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী
- প্রকাশ : ১১:১০:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ৩৮ বার পাঠিত

মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী চকমিরপুর ইউনিয়নের আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে দিনরাত গণসংযোগ ও প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন সাবেক যুবদল নেতা মোঃ আব্দুল রহিম। ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের কাছে গিয়ে প্রবীণদের দোয়া ও তরুণদের সমর্থন কামনা করছেন তিনি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মোঃ আব্দুল রহিম দীর্ঘদিন ধরে দৌলতপুর উপজেলা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আওয়ামী শাসন আমলে রাজপথের সক্রিয় নেতা হিসেবে দলের দুর্দিনে শক্ত হাতে হাল ধরেছিলেন তিনি। সে সময় রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করতে গিয়ে তাকে রাজনৈতিক হয়রানি ও জেল-জুলুমের মুখোমুখি হতে হয়েছে। তার বিরুদ্ধে দুটি মিথ্যা নাশকতার মামলা দায়ের করেও তাকে রাজপথ থেকে সরাতে পারেনি তৎকালীন স্বৈরাচারী সরকার। সব প্রতিকূলতার মাঝেও তিনি দলের আদর্শকে ধারণ করে নেতাকর্মীদের পাশে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
প্রচার-প্রচারণাকালে নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে মোঃ আব্দুল রহিম বলেন, চকমিরপুর ইউনিয়নকে সর্বাধুনিক ও একটি দৃষ্টান্তমূলক ‘রোল মডেল’ ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলাই তার প্রধান লক্ষ্য। অবহেলিত রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন সম্পন্ন করে সাধারণ মানুষের জন্য ইউনিয়ন পরিষদকে সহজ ও দুর্নীতিমুক্ত সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করবেন তিনি।
একই সাথে যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে তিনি মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ঘোষণা করেন। তিনি স্পষ্ট হুশিয়ারি দিয়ে জানান, নির্বাচিত হলে চকমিরপুর ইউনিয়নে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে এবং যারা মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
যুবসমাজকে মাদকের হাত থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড চর্চার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন তিনি। তার মতে, তরুণ প্রজন্মকে সুস্থ ও সুন্দর মানসিকতার মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে মাঠপর্যায়ে নিয়মিত খেলাধুলা এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক চর্চার বিকল্প নেই।
চকমিরপুর ইউনিয়নের খেটে খাওয়া ও সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার অঙ্গীকার জানিয়ে এই প্রার্থী আরও বলেন, এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে তিনি নিজের সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত। অবহেলিত এ জনপদের প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা এবং চকমিরপুরকে একটি আধুনিক ও নিরাপদ ইউনিয়ন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চান তিনি।
এদিকে নির্বাচনকে ঘিরে চকমিরপুর ইউনিয়নের হাট-বাজার ও গ্রামে গ্রামে সাধারণ ভোটারদের মাঝেও শুরু হয়েছে জল্পনা-কল্পনা। দীর্ঘদিনের ত্যাগী ও আপসহীন এই নেতার গণসংযোগে সাধারণ মানুষ ও তরুণ সমাজের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।



















