ঢাকা ০৬:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

দৌলতপুর কালীবাড়ী পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন সংসদ সদস্য জিন্নাহ কবির

স্টাফ রিপোর্টার: নান্নু মিয়া
  • প্রকাশ : ০২:৪৩:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৯১ বার পাঠিত

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে মানিকগঞ্জের দৌলতপুর কালীবাড়ী পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবির। মঙ্গলবার তিনি পূজামণ্ডপে উপস্থিত হয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শারদীয় শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন।

​পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্য পূজামণ্ডপের সার্বিক পরিবেশ, নিরাপত্তা এবং দুর্গোৎসব উদযাপনের নানা বিষয়ে খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি মণ্ডপে আগত ভক্ত ও দর্শনার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন।

​সংসদ সদস্য উৎসবের সার্বিক শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আবহমান বাংলার ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে সকলে মিলে আনন্দঘন পরিবেশে এই দুর্গোৎসব উদযাপন করবেন।

​তিনি আরও উল্লেখ করেন, শারদীয় দুর্গোৎসব কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি আমাদের অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক অনন্য প্রতীক। এ ধরনের উৎসব বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যের বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে তোলে।

ট্যাগ :

সংবাদটি শেয়ার করুন

দৌলতপুর কালীবাড়ী পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন সংসদ সদস্য জিন্নাহ কবির

প্রকাশ : ০২:৪৩:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে মানিকগঞ্জের দৌলতপুর কালীবাড়ী পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবির। মঙ্গলবার তিনি পূজামণ্ডপে উপস্থিত হয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শারদীয় শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন।

​পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্য পূজামণ্ডপের সার্বিক পরিবেশ, নিরাপত্তা এবং দুর্গোৎসব উদযাপনের নানা বিষয়ে খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি মণ্ডপে আগত ভক্ত ও দর্শনার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন।

​সংসদ সদস্য উৎসবের সার্বিক শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আবহমান বাংলার ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে সকলে মিলে আনন্দঘন পরিবেশে এই দুর্গোৎসব উদযাপন করবেন।

​তিনি আরও উল্লেখ করেন, শারদীয় দুর্গোৎসব কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি আমাদের অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক অনন্য প্রতীক। এ ধরনের উৎসব বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যের বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে তোলে।