ঢাকা ০৭:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬

আশার বাতিঘর: এস এ জিন্নাহ কবির ও আমাদের আগামীর মানিকগঞ্জ-১

প্রতিবেদকের নাম, পদবী
  • প্রকাশ : ০৩:৪০:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১৪০ বার পাঠিত

স্টাফ রিপোর্টার:- নান্নু মিয়া

​নদী বিধৌত পলিমাখা জনপদ ঘিওর, দৌলতপুর ও শিবালয়। পদ্মা-যমুনার কলতানে মুখরিত এই জনপদের মানুষের চোখে অনেক স্বপ্ন ছিল, কিন্তু সেই স্বপ্ন বারবার বিলীন হয়েছে নদীভাঙনে আর অবহেলায়। সেই অন্ধকার সরিয়ে আশার নতুন সূর্য হয়ে উদিত হয়েছেন জননেতা এস এ জিন্নাহ কবির। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর তিনি কেবল একজন সংসদ সদস্য নন, বরং তিনি হয়ে উঠেছেন এই অঞ্চলের কয়েক লক্ষ মানুষের পরম নির্ভরতার প্রতীক জিন্নাহ কবিরের জাদুকরী কর্মপরিকল্পনা যা বদলে দেবে এলাকার মানুষের ভাগ্যের চাকা।

​১. প্রমত্তা পদ্মা-যমুনার শাসন: নদীভাঙনমুক্ত এক নিরাপদ জনপদ:
​যুগ যুগ ধরে ঘিওরের তরা থেকে শিবালয়ের আরিচা কিংবা দৌলতপুরের দুর্গম চরাঞ্চল—সবখানেই কান পাতলে শোনা যেত নদীভাঙা মানুষের হাহাকার। জিন্নাহ কবিরের প্রথম এবং প্রধান অগ্রাধিকার হলো স্থায়ী বেড়িবাঁধ।
​তার পরিকল্পনা তিনি শুধু বালুর বস্তা ফেলে ভাঙন ঠেকাতে চান না, বরং সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে নদীকে শাসন করতে চান। তার লক্ষ্য—এক ইঞ্চি মাটিও যেন আর নদীগর্ভে বিলীন না হয়। এই বাঁধ হবে আমাদের হাজারো পরিবারের ভিটেমাটি আর ফসলি জমির সুরক্ষা কবচ।

​২. চরের ধূসর বালুতে স্বপ্নের শহর: আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও পর্যটন
​যে চরাঞ্চলকে মানুষ একসময় অভিশাপ মনে করত, জিন্নাহ কবির তাকেই বানাতে চান আশীর্বাদ।
​বাণিজ্যিক বিপ্লব: বেড়িবাঁধকে কেন্দ্র করে তিনি গড়ে তুলবেন আন্তর্জাতিক মানের বাণিজ্য কেন্দ্র ও কোল্ড স্টোরেজ, যেখানে কৃষকের পণ্য সরাসরি ন্যায্য মূল্যে বিক্রয় হবে।
​পর্যটন স্বর্গ: আরিচা ও যমুনার পাড় ঘেঁষে তিনি এমন এক পর্যটন নগরী গড়ার পরিকল্পনা করেছেন, এতে সৃষ্টি হবে হাজার হাজার বেকার যুবকের কর্মসংস্থান।

​৩. ঘিওর-দৌলতপুর-শিবালয়: তিনটি আধুনিক মডেল উপজেলা
​তিনি স্বপ্ন দেখেন এমন এক মানিকগঞ্জের, যেখানে গ্রামের মানুষ শহরের সব সুবিধা পাবে।
​ডিজিটাল ও স্মার্ট ইউনিয়ন: প্রতিটি ইউনিয়ন হবে তথ্য-প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ।
​উন্নত যোগাযোগ: কর্দমাক্ত মেঠো পথকে বিদায় জানিয়ে তিনি প্রতিটি গ্রামকে প্রশস্ত পাকা সড়কের জালে আবদ্ধ করতে চান, যেন পণ্য পরিবহন ও যাতায়াতে কোনো ভোগান্তি না থাকে, কৃষকরা তাদের চাষকৃত পন্য বিক্রি করে ন্যায্য দাম পান।

​৪. শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের নবজাগরণ
​”একটি সন্তানও যেন অর্থাভাবে ঝরে না পড়ে”—এটিই জিন্নাহ কবিরের মূলমন্ত্র, স্কুল-কলেজগুলোতে আধুনিক ল্যাব ও ভবন নির্মাণের পাশাপাশি তিনি শিক্ষকদের মানোন্নয়নে জোর দিয়েছেন।
​স্বাস্থ্য: শিবালয় বা দৌলতপুরের দুর্গম চর থেকে কোনো রোগীকে যেন বিনা চিকিৎসায় মরতে না হয়, সেজন্য তিনি স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেছেন।

​দালাল ফড়িতদারদের দিন শেষ, কৃষি কার্ডেই হবে সব মুশকিল আসান”
​তিনি কৃষকদের আশ্বস্ত করে বলেছেন যে, কৃষি কার্ড থাকলে সার, বীজ বা কীটনাশকের জন্য আর কোনো নেতার পিছে ঘুরতে হবে না বা ডিলারকে বাড়তি টাকা দিতে হবে না। সরকার থেকে আসা ভর্তুকি সরাসরি কৃষকের হাতে পৌঁছাবে। কৃষকরা যেন চড়া সুদে মহাজনের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে নিঃস্ব না হয়, সেজন্য কৃষি কার্ডের মাধ্যমে সুদমুক্ত বা নামমাত্র সুদে ঋণের ব্যবস্থা করা হবে। ধান বা গম কাটার পর কৃষকদের হাটে হাটে ঘুরে পানির দরে ফসল বিক্রি করতে হবে না। সরকার সরাসরি কার্ডধারী কৃষকের কাছ থেকে ফসল কিনবে, যাতে কৃষক প্রকৃত লাভ পায়।কৃষি কার্ডধারীরা সুলভ মূল্যে ট্রাক্টর ও হারভেস্টর ব্যবহারের সুবিধা পাবেন। মান্ধাতা আমলের চাষাবাদ ছেড়ে মানিকগঞ্জের কৃষি হবে ‘স্মার্ট কৃষি’।

এমপি এস এ জিন্নাহ কবিরের নির্বাচনী ইশতেহার সম্পর্কে সাধারণ মানুষের ভাবনা ছিল চোখে পড়ার মত, তাদের মতামত ছিলো আবেগঘনপূর্ন

​১. নদীভাঙা মানুষের আর্তনাদ ও আশার বাণী
​পদ্মা ও যমুনার করাল গ্রাসে যারা বারবার নিঃস্ব হয়েছেন, জিন্নাহ কবিরের ‘স্থায়ী বেড়িবাঁধ’ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি তাদের কাছে এক নতুন জীবনের নামান্তর।
​”বাবা-দাদার কবর পদ্মা গিলে খেয়েছে, তিনবার ঘর ভেঙে আজ অন্যের জায়গায় আশ্রয় নিয়েছি। জিন্নাহ ভাই যখন বুক ঠুকে বললেন—’আর একটা পরিবারকেও ভিটেছাড়া হতে দেব না’, তখন মনে হলো এতদিনে আমাদের মাথার ওপর একটা ছাদ জুটবে। তিনি আমাদের জন্য নেতার চেয়েও বেশি, তিনি আমাদের ঘরের ছেলে (রহমত আলী -৬৫), নদীভাঙা কৃষক, শিবালয়।

​”চরের মানুষ মানেই অবহেলিত—এই ধারণা জিন্নাহ কবির বদলে দিতে চেয়েছেন। চরের বালুতে যখন আধুনিক পর্যটন কেন্দ্র আর ফ্যাক্টরি হবে, তখন আমাদের ছেলেদের আর ঢাকা গিয়ে রিকশা চালাতে হবে না। বাড়ির কাছেই কাজ পাবে। জিন্নাহ ভাইয়ের এই চিন্তা আমাদের কলিজা ঠান্ডা করে দিয়েছে।” > — মো. শুকুর আলী, চরাঞ্চলের বাসিন্দা, দৌলতপুর।

​৩. তরুণ প্রজন্মের চোখে ‘মডেল উপজেলা’
​ঘিওর, দৌলতপুর ও শিবালয়কে আধুনিক ও মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় তরুণ সমাজকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করেছে।
​”আমরা চাই স্মার্ট বাংলাদেশ, আর জিন্নাহ ভাই আমাদের তিনটি উপজেলাকেই স্মার্ট ও মডেল করার দায়িত্ব নিয়েছেন। উন্নত রাস্তাঘাট, হাই-স্পিড ইন্টারনেট আর আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার যে রোডম্যাপ তিনি দিয়েছেন, তাতে আমরা তরুণরা তার প্রতি কৃতজ্ঞ। তার নেতৃত্বে আমাদের এলাকা হবে দেশের সেরা জনপদ।” > — আশরাফুল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী, ঘিওর।

আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা শুনি, কিন্তু আমাদের এলাকার অনেক স্কুলে এখনো আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব নেই। জিন্নাহ ভাই প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ডিজিটালাইজড করার। তার এই উদ্যোগ আমাদের মতো সাধারণ ঘরের সন্তানদের বিশ্বমানের শিক্ষার সুযোগ করে দেবে। আমরা তাকে নিয়ে গর্বিত।”
— মাহমুদ, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী- দৌলতপুর

​”আগে অসুস্থ হলে শহরে যাওয়ার পথেই মানুষ মারা যেত। জিন্নাহ ভাই আধুনিক হাসপাতালের কথা বলেছেন, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কথা বলেছেন। আমাদের সন্তানরা যেন ঘরের কাছেই ভালো চিকিৎসা আর পড়াশোনা পায়— সাজেদা বেগম, গৃহিণী, শিবালয়।

​”নেতারা নির্বাচনের পর চেনে না, কিন্তু জিন্নাহ ভাই নির্বাচিত হওয়ার পর এলাকার মানুষের সাথে বসে, তার ভাবনা গুলো তুলে ধরেছেন, যা শুনে আমাদের খুবই ভাল লেগেছে ।  কদম আলী, দিনমজুর, ঘিওর।

এস এ জিন্নাহ কবিরের এই কর্মপরিকল্পনা কেবল নির্বাচনী ইশতেহার নয়, এটি ঘিওর, দৌলতপুর ও শিবালয়ের আগামী প্রজন্মের জন্য একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের পাণ্ডুলিপি। তার সততা, নিষ্ঠা আর অদম্য ইচ্ছাশক্তির হাত ধরে মানিকগঞ্জ-১ আসন হবে বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ একটি জনপদ।

​আমাদের নেতা, আমাদের গর্ব—এস এ জিন্নাহ কবির।

​

ট্যাগ :

সংবাদটি শেয়ার করুন

আশার বাতিঘর: এস এ জিন্নাহ কবির ও আমাদের আগামীর মানিকগঞ্জ-১

প্রকাশ : ০৩:৪০:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার:- নান্নু মিয়া

​নদী বিধৌত পলিমাখা জনপদ ঘিওর, দৌলতপুর ও শিবালয়। পদ্মা-যমুনার কলতানে মুখরিত এই জনপদের মানুষের চোখে অনেক স্বপ্ন ছিল, কিন্তু সেই স্বপ্ন বারবার বিলীন হয়েছে নদীভাঙনে আর অবহেলায়। সেই অন্ধকার সরিয়ে আশার নতুন সূর্য হয়ে উদিত হয়েছেন জননেতা এস এ জিন্নাহ কবির। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর তিনি কেবল একজন সংসদ সদস্য নন, বরং তিনি হয়ে উঠেছেন এই অঞ্চলের কয়েক লক্ষ মানুষের পরম নির্ভরতার প্রতীক জিন্নাহ কবিরের জাদুকরী কর্মপরিকল্পনা যা বদলে দেবে এলাকার মানুষের ভাগ্যের চাকা।

​১. প্রমত্তা পদ্মা-যমুনার শাসন: নদীভাঙনমুক্ত এক নিরাপদ জনপদ:
​যুগ যুগ ধরে ঘিওরের তরা থেকে শিবালয়ের আরিচা কিংবা দৌলতপুরের দুর্গম চরাঞ্চল—সবখানেই কান পাতলে শোনা যেত নদীভাঙা মানুষের হাহাকার। জিন্নাহ কবিরের প্রথম এবং প্রধান অগ্রাধিকার হলো স্থায়ী বেড়িবাঁধ।
​তার পরিকল্পনা তিনি শুধু বালুর বস্তা ফেলে ভাঙন ঠেকাতে চান না, বরং সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে নদীকে শাসন করতে চান। তার লক্ষ্য—এক ইঞ্চি মাটিও যেন আর নদীগর্ভে বিলীন না হয়। এই বাঁধ হবে আমাদের হাজারো পরিবারের ভিটেমাটি আর ফসলি জমির সুরক্ষা কবচ।

​২. চরের ধূসর বালুতে স্বপ্নের শহর: আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও পর্যটন
​যে চরাঞ্চলকে মানুষ একসময় অভিশাপ মনে করত, জিন্নাহ কবির তাকেই বানাতে চান আশীর্বাদ।
​বাণিজ্যিক বিপ্লব: বেড়িবাঁধকে কেন্দ্র করে তিনি গড়ে তুলবেন আন্তর্জাতিক মানের বাণিজ্য কেন্দ্র ও কোল্ড স্টোরেজ, যেখানে কৃষকের পণ্য সরাসরি ন্যায্য মূল্যে বিক্রয় হবে।
​পর্যটন স্বর্গ: আরিচা ও যমুনার পাড় ঘেঁষে তিনি এমন এক পর্যটন নগরী গড়ার পরিকল্পনা করেছেন, এতে সৃষ্টি হবে হাজার হাজার বেকার যুবকের কর্মসংস্থান।

​৩. ঘিওর-দৌলতপুর-শিবালয়: তিনটি আধুনিক মডেল উপজেলা
​তিনি স্বপ্ন দেখেন এমন এক মানিকগঞ্জের, যেখানে গ্রামের মানুষ শহরের সব সুবিধা পাবে।
​ডিজিটাল ও স্মার্ট ইউনিয়ন: প্রতিটি ইউনিয়ন হবে তথ্য-প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ।
​উন্নত যোগাযোগ: কর্দমাক্ত মেঠো পথকে বিদায় জানিয়ে তিনি প্রতিটি গ্রামকে প্রশস্ত পাকা সড়কের জালে আবদ্ধ করতে চান, যেন পণ্য পরিবহন ও যাতায়াতে কোনো ভোগান্তি না থাকে, কৃষকরা তাদের চাষকৃত পন্য বিক্রি করে ন্যায্য দাম পান।

​৪. শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের নবজাগরণ
​”একটি সন্তানও যেন অর্থাভাবে ঝরে না পড়ে”—এটিই জিন্নাহ কবিরের মূলমন্ত্র, স্কুল-কলেজগুলোতে আধুনিক ল্যাব ও ভবন নির্মাণের পাশাপাশি তিনি শিক্ষকদের মানোন্নয়নে জোর দিয়েছেন।
​স্বাস্থ্য: শিবালয় বা দৌলতপুরের দুর্গম চর থেকে কোনো রোগীকে যেন বিনা চিকিৎসায় মরতে না হয়, সেজন্য তিনি স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেছেন।

​দালাল ফড়িতদারদের দিন শেষ, কৃষি কার্ডেই হবে সব মুশকিল আসান”
​তিনি কৃষকদের আশ্বস্ত করে বলেছেন যে, কৃষি কার্ড থাকলে সার, বীজ বা কীটনাশকের জন্য আর কোনো নেতার পিছে ঘুরতে হবে না বা ডিলারকে বাড়তি টাকা দিতে হবে না। সরকার থেকে আসা ভর্তুকি সরাসরি কৃষকের হাতে পৌঁছাবে। কৃষকরা যেন চড়া সুদে মহাজনের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে নিঃস্ব না হয়, সেজন্য কৃষি কার্ডের মাধ্যমে সুদমুক্ত বা নামমাত্র সুদে ঋণের ব্যবস্থা করা হবে। ধান বা গম কাটার পর কৃষকদের হাটে হাটে ঘুরে পানির দরে ফসল বিক্রি করতে হবে না। সরকার সরাসরি কার্ডধারী কৃষকের কাছ থেকে ফসল কিনবে, যাতে কৃষক প্রকৃত লাভ পায়।কৃষি কার্ডধারীরা সুলভ মূল্যে ট্রাক্টর ও হারভেস্টর ব্যবহারের সুবিধা পাবেন। মান্ধাতা আমলের চাষাবাদ ছেড়ে মানিকগঞ্জের কৃষি হবে ‘স্মার্ট কৃষি’।

এমপি এস এ জিন্নাহ কবিরের নির্বাচনী ইশতেহার সম্পর্কে সাধারণ মানুষের ভাবনা ছিল চোখে পড়ার মত, তাদের মতামত ছিলো আবেগঘনপূর্ন

​১. নদীভাঙা মানুষের আর্তনাদ ও আশার বাণী
​পদ্মা ও যমুনার করাল গ্রাসে যারা বারবার নিঃস্ব হয়েছেন, জিন্নাহ কবিরের ‘স্থায়ী বেড়িবাঁধ’ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি তাদের কাছে এক নতুন জীবনের নামান্তর।
​”বাবা-দাদার কবর পদ্মা গিলে খেয়েছে, তিনবার ঘর ভেঙে আজ অন্যের জায়গায় আশ্রয় নিয়েছি। জিন্নাহ ভাই যখন বুক ঠুকে বললেন—’আর একটা পরিবারকেও ভিটেছাড়া হতে দেব না’, তখন মনে হলো এতদিনে আমাদের মাথার ওপর একটা ছাদ জুটবে। তিনি আমাদের জন্য নেতার চেয়েও বেশি, তিনি আমাদের ঘরের ছেলে (রহমত আলী -৬৫), নদীভাঙা কৃষক, শিবালয়।

​”চরের মানুষ মানেই অবহেলিত—এই ধারণা জিন্নাহ কবির বদলে দিতে চেয়েছেন। চরের বালুতে যখন আধুনিক পর্যটন কেন্দ্র আর ফ্যাক্টরি হবে, তখন আমাদের ছেলেদের আর ঢাকা গিয়ে রিকশা চালাতে হবে না। বাড়ির কাছেই কাজ পাবে। জিন্নাহ ভাইয়ের এই চিন্তা আমাদের কলিজা ঠান্ডা করে দিয়েছে।” > — মো. শুকুর আলী, চরাঞ্চলের বাসিন্দা, দৌলতপুর।

​৩. তরুণ প্রজন্মের চোখে ‘মডেল উপজেলা’
​ঘিওর, দৌলতপুর ও শিবালয়কে আধুনিক ও মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় তরুণ সমাজকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করেছে।
​”আমরা চাই স্মার্ট বাংলাদেশ, আর জিন্নাহ ভাই আমাদের তিনটি উপজেলাকেই স্মার্ট ও মডেল করার দায়িত্ব নিয়েছেন। উন্নত রাস্তাঘাট, হাই-স্পিড ইন্টারনেট আর আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার যে রোডম্যাপ তিনি দিয়েছেন, তাতে আমরা তরুণরা তার প্রতি কৃতজ্ঞ। তার নেতৃত্বে আমাদের এলাকা হবে দেশের সেরা জনপদ।” > — আশরাফুল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী, ঘিওর।

আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা শুনি, কিন্তু আমাদের এলাকার অনেক স্কুলে এখনো আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব নেই। জিন্নাহ ভাই প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ডিজিটালাইজড করার। তার এই উদ্যোগ আমাদের মতো সাধারণ ঘরের সন্তানদের বিশ্বমানের শিক্ষার সুযোগ করে দেবে। আমরা তাকে নিয়ে গর্বিত।”
— মাহমুদ, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী- দৌলতপুর

​”আগে অসুস্থ হলে শহরে যাওয়ার পথেই মানুষ মারা যেত। জিন্নাহ ভাই আধুনিক হাসপাতালের কথা বলেছেন, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কথা বলেছেন। আমাদের সন্তানরা যেন ঘরের কাছেই ভালো চিকিৎসা আর পড়াশোনা পায়— সাজেদা বেগম, গৃহিণী, শিবালয়।

​”নেতারা নির্বাচনের পর চেনে না, কিন্তু জিন্নাহ ভাই নির্বাচিত হওয়ার পর এলাকার মানুষের সাথে বসে, তার ভাবনা গুলো তুলে ধরেছেন, যা শুনে আমাদের খুবই ভাল লেগেছে ।  কদম আলী, দিনমজুর, ঘিওর।

এস এ জিন্নাহ কবিরের এই কর্মপরিকল্পনা কেবল নির্বাচনী ইশতেহার নয়, এটি ঘিওর, দৌলতপুর ও শিবালয়ের আগামী প্রজন্মের জন্য একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের পাণ্ডুলিপি। তার সততা, নিষ্ঠা আর অদম্য ইচ্ছাশক্তির হাত ধরে মানিকগঞ্জ-১ আসন হবে বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ একটি জনপদ।

​আমাদের নেতা, আমাদের গর্ব—এস এ জিন্নাহ কবির।

​