কর্পোরেট উপহারে দারুণ সাড়া: মানিকগঞ্জে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করল আচারে পাকা
- প্রকাশ : ১২:৪৬:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
- / ৩৯ বার পাঠিত

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বান্দুটিয়ায় দেশীয় ঘরানার মানসম্মত খাবারের উদ্যোগ- সেইই ফুডস এর প্রিমিয়াম আচার ব্র্যান্ড আচারে পাকা র নতুন ফ্যাক্টরি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে।
গত ১৭ অক্টোবর এক জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে ফিতা কেটে এই ফ্যাক্টরির শুভ উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মানিকগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট জামিলুর রশিদ খান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বনামধন্য বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘এসডিআই’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক শামসুল হক।
বয়সের ফ্রেমে স্বপ্নকে আটকে রাখা যায় না—তারই অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মুবাশ্বির আমিন। তাঁর নিজস্ব ভাবনা ও উদ্যোগে শুরু হয় এই ‘আচারে পাকা’ ব্র্যান্ডের যাত্রা। মুবাশ্বিরের উদ্ভাবনী চিন্তা ও উদ্যোক্তা হওয়ার এ স্বপ্নে শুরু থেকেই সর্বাত্মক উৎসাহ ও মূল প্রেরণা হিসেবে পাশে আছেন তাঁর মা, সেইই ফুডস-এর স্বত্বাধিকারী সুমাইয়া আক্তার। মা-ছেলের যৌথ প্রচেষ্টা ও নিষ্ঠায় স্বল্প সময়েই ব্র্যান্ডটি অনন্য পরিচিতি লাভ করেছে।
ইতিমধ্যেই বিশুদ্ধ উপাদান, স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে প্রস্তুত প্রণালী ও চমৎকার স্বাদের কারণে ‘আচারে পাকা’র পণ্যগুলো খাদ্যরসিক ও সাধারণ গ্রাহকদের মন জয় করেছে। অনলাইন প্ল্যাটফর্মের পাশাপাশি বিভিন্ন রিটেইল শপ ও সুপারশপেও পণ্যটির ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে প্রাতিষ্ঠানিক ও কর্পোরেট উপহার (Corporate Gifts) হিসেবে ঐতিহ্যবাহী ও প্রিমিয়াম আচারের প্যাকেজিং দারুণ সাড়া ফেলছে।
ফ্যাক্টরি উদ্বোধন উপলক্ষে উদীয়মান কিশোর উদ্যোক্তা মুবাশ্বির আমিন তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে বলেন, প্রাথমিক সাফল্য আমাদের আত্মবিশ্বাস অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। আমরা কেবল মানিকগঞ্জেই থেমে থাকতে চাই না। গুণগত মান বজায় রেখে সামনে আরও নতুন নতুন স্বাদের আচার ও খাদ্যপণ্য বাজারে আনার কাজ চলছে। একই সঙ্গে আমাদের লক্ষ্য স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা এবং খুব শিগগিরই দেশের গণ্ডি পেরিয়ে ‘আচারে পাকা’র পণ্য বিশ্ববাজারে রপ্তানি করা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি এবং উদ্যোক্তা পরিবারের শুভাকাঙ্ক্ষীরা উপস্থিত ছিলেন। অতিথিরা সর্বকনিষ্ঠ উদ্যোক্তা মুবাশ্বির ও তাঁর মা সুমাইয়া আক্তারের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং প্রতিষ্ঠানটির উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করেন।















