ঢাকা ০৫:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬

নড়াইলে সহকারি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রনতোষ কুমারের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদনে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ

প্রতিবেদকের নাম, পদবী
  • প্রকাশ : ০৬:৫৯:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • / ১১১ বার পাঠিত

 

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি

নড়াইলে সহকারি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রনতোষ কুমার সেনের বিরুদ্ধে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা দিপীকা বিশ্বাসের অবৈধভাবে পার্সপোর্ট ও ভিসা নিয়ে বিনা অনুমতিতে বিদেশ গমনের তথ্য থাকা সত্বেও অদৃশ্য কারনে তদন্ত প্রতিবেদনে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা দিপীকা বিশ্বাস সরকারি চাকুরি করলেও পার্সপোর্টে পেশার তথ্য গোপন করে গৃহিনী উল্লেখ করে অবৈধভাবে পাসপোর্ট তৈরি করে কতৃপক্ষের বিনা অনুমতিতে দীর্ঘদিন ভারতে যাতায়াত করেছেন।
ইতিপূর্বে এ বিষয়ে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় বিগত ২৪ সালের ১০ জানুয়ারি সহকারি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রনতোষ কুমার সেন তদন্ত করে ৪ ফেব্রুয়ারী তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। তদন্ত প্রতিবেদনে অবৈধভাবে পার্সপোর্ট ও ভিসা নিয়ে বিনা অনুমতিতে বিদেশ গমনের তথ্য থাকা সত্বেও অদৃশ্য কারনে তদন্ত প্রতিবেদনে সত্যতা মেলেনি মর্মে মন্তব্য করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষক অভিযোগ করে বলেন, সহকারি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রনতোষ কুমার সেন মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে দোষী ব্যক্তিকে নির্দোষ ও নির্দোষ ব্যক্তি
দোষী করার অসংখ্য নজির রয়েছে। এই কর্মকর্তার দুর্ণীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার কারনে নড়াইল জেলা প্রাথমিক শিক্ষার পরিবেশ নিষ্ট হচ্ছে।
দিপীকা বিশ্বাসের পাসপোর্টে দেখা যায়, পেশা সরকারি চাকুরির পরিবর্তে গৃহিণী উল্লেখ করে বি এল ০৪৬১৯## নম্বর পার্সপোট ব্যবহার করে ২০১৭ সালে ১২ থেকে ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮ সালের ২৪ মে থেকে ৭ জুন, ১৬ অক্টোবর হতে ২৪ অক্টোবর ২০১৯ সালের ১০ মে হতে ১২ জুন ও ২০ ডিসেম্বর গতে ৩০ ডিসেম্বর ভারতে যাতায়াত করে এরপর পার্সপোটের মেয়াদ শেষ হলে আবারও ২০২১ সালে অবৈধভাবে পার্সপোট নম্বর এ ০১০৯৫৭## গ্রহণ করে ২০২২ সালের ২৩ এপ্রিল হতে ১০ মে ও ২৩ ডিসেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ সালের ২১ জুন হতে ৮ জুলাই ভারতে যাতায়াত করে এরপর বিষয়টি নিয়ে তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হলে নতুন পাসপোর্ট গ্রহন করেন।
সহকারি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রনতোষ কুমার সেনের কাছে তদন্তে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন আমি তার ছুটির বিষয়ে তদন্ত করেছি। পেশা গৃহিণী দিয়ে অবৈধভাবে পাসপোর্টে গ্রহনের তদন্ত করা হয়নি প্রয়োজনে আবার তদন্ত করা হবে।

ট্যাগ :

সংবাদটি শেয়ার করুন

নড়াইলে সহকারি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রনতোষ কুমারের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদনে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ

প্রকাশ : ০৬:৫৯:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

 

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি

নড়াইলে সহকারি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রনতোষ কুমার সেনের বিরুদ্ধে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা দিপীকা বিশ্বাসের অবৈধভাবে পার্সপোর্ট ও ভিসা নিয়ে বিনা অনুমতিতে বিদেশ গমনের তথ্য থাকা সত্বেও অদৃশ্য কারনে তদন্ত প্রতিবেদনে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা দিপীকা বিশ্বাস সরকারি চাকুরি করলেও পার্সপোর্টে পেশার তথ্য গোপন করে গৃহিনী উল্লেখ করে অবৈধভাবে পাসপোর্ট তৈরি করে কতৃপক্ষের বিনা অনুমতিতে দীর্ঘদিন ভারতে যাতায়াত করেছেন।
ইতিপূর্বে এ বিষয়ে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় বিগত ২৪ সালের ১০ জানুয়ারি সহকারি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রনতোষ কুমার সেন তদন্ত করে ৪ ফেব্রুয়ারী তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। তদন্ত প্রতিবেদনে অবৈধভাবে পার্সপোর্ট ও ভিসা নিয়ে বিনা অনুমতিতে বিদেশ গমনের তথ্য থাকা সত্বেও অদৃশ্য কারনে তদন্ত প্রতিবেদনে সত্যতা মেলেনি মর্মে মন্তব্য করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষক অভিযোগ করে বলেন, সহকারি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রনতোষ কুমার সেন মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে দোষী ব্যক্তিকে নির্দোষ ও নির্দোষ ব্যক্তি
দোষী করার অসংখ্য নজির রয়েছে। এই কর্মকর্তার দুর্ণীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার কারনে নড়াইল জেলা প্রাথমিক শিক্ষার পরিবেশ নিষ্ট হচ্ছে।
দিপীকা বিশ্বাসের পাসপোর্টে দেখা যায়, পেশা সরকারি চাকুরির পরিবর্তে গৃহিণী উল্লেখ করে বি এল ০৪৬১৯## নম্বর পার্সপোট ব্যবহার করে ২০১৭ সালে ১২ থেকে ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮ সালের ২৪ মে থেকে ৭ জুন, ১৬ অক্টোবর হতে ২৪ অক্টোবর ২০১৯ সালের ১০ মে হতে ১২ জুন ও ২০ ডিসেম্বর গতে ৩০ ডিসেম্বর ভারতে যাতায়াত করে এরপর পার্সপোটের মেয়াদ শেষ হলে আবারও ২০২১ সালে অবৈধভাবে পার্সপোট নম্বর এ ০১০৯৫৭## গ্রহণ করে ২০২২ সালের ২৩ এপ্রিল হতে ১০ মে ও ২৩ ডিসেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ সালের ২১ জুন হতে ৮ জুলাই ভারতে যাতায়াত করে এরপর বিষয়টি নিয়ে তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হলে নতুন পাসপোর্ট গ্রহন করেন।
সহকারি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রনতোষ কুমার সেনের কাছে তদন্তে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন আমি তার ছুটির বিষয়ে তদন্ত করেছি। পেশা গৃহিণী দিয়ে অবৈধভাবে পাসপোর্টে গ্রহনের তদন্ত করা হয়নি প্রয়োজনে আবার তদন্ত করা হবে।