ঢাকা ০৩:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

আবারো বাড়ছে বিদেশি ঋণ: তিন মাসে যোগ হলো ১৩০ কোটি ডলার

প্রতিবেদকের নাম, পদবী
  • প্রকাশ : ০১:৫৬:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
  • / ২০১ বার পাঠিত

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

দেশের অর্থনীতিতে পুঞ্জীভূত বিদেশি ঋণের বোঝা আবারো বাড়তে শুরু করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ডিসেম্বর শেষে সরকারি ও বেসরকারি খাত মিলিয়ে মোট বিদেশি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১৩ দশমিক ৫২ বিলিয়ন (১১ হাজার ৩৫২ কোটি) ডলারে।

​কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, গত বছরের সেপ্টেম্বর প্রান্তিক শেষে ঋণের এই স্থিতি ছিল প্রায় ১১২ দশমিক ২২ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে বিদেশি ঋণের পরিমাণ বেড়েছে প্রায় ১ দশমিক ৩০ বিলিয়ন বা ১৩০ কোটি ডলার।

​এর আগে গত জুন মাস পর্যন্ত বিদেশি ঋণের পরিমাণ ছিল ১১৩ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার। সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে ঋণের এই স্থিতি কিছুটা কমে এলেও ডিসেম্বরে এসে তা আবারো ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখাল।

ব্যাংক কর্মকর্তাদের মতে, দেশের সরকারি ও বেসরকারি—উভয় খাতেই বৈদেশিক ঋণ গ্রহণের হার বেড়েছে, যার প্রভাবে সার্বিক ঋণের স্থিতিতে এই পরিবর্তন এসেছে। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে:

  • ​সরকারি খাত: এই খাতে ঋণের পরিমাণ গত তিন মাসে প্রায় ১ শতাংশের মতো বেড়েছে।
  • ​বেসরকারি খাত: সরকারি খাতের পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়েও ঋণ গ্রহণের প্রবণতা আগের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে।

​সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ডলার সংকট ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে বিদেশি ঋণের এই বৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং ভবিষ্যৎ পরিশোধের সক্ষমতার ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

ট্যাগ :

সংবাদটি শেয়ার করুন

আবারো বাড়ছে বিদেশি ঋণ: তিন মাসে যোগ হলো ১৩০ কোটি ডলার

প্রকাশ : ০১:৫৬:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

দেশের অর্থনীতিতে পুঞ্জীভূত বিদেশি ঋণের বোঝা আবারো বাড়তে শুরু করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ডিসেম্বর শেষে সরকারি ও বেসরকারি খাত মিলিয়ে মোট বিদেশি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১৩ দশমিক ৫২ বিলিয়ন (১১ হাজার ৩৫২ কোটি) ডলারে।

​কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, গত বছরের সেপ্টেম্বর প্রান্তিক শেষে ঋণের এই স্থিতি ছিল প্রায় ১১২ দশমিক ২২ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে বিদেশি ঋণের পরিমাণ বেড়েছে প্রায় ১ দশমিক ৩০ বিলিয়ন বা ১৩০ কোটি ডলার।

​এর আগে গত জুন মাস পর্যন্ত বিদেশি ঋণের পরিমাণ ছিল ১১৩ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার। সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে ঋণের এই স্থিতি কিছুটা কমে এলেও ডিসেম্বরে এসে তা আবারো ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখাল।

ব্যাংক কর্মকর্তাদের মতে, দেশের সরকারি ও বেসরকারি—উভয় খাতেই বৈদেশিক ঋণ গ্রহণের হার বেড়েছে, যার প্রভাবে সার্বিক ঋণের স্থিতিতে এই পরিবর্তন এসেছে। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে:

  • ​সরকারি খাত: এই খাতে ঋণের পরিমাণ গত তিন মাসে প্রায় ১ শতাংশের মতো বেড়েছে।
  • ​বেসরকারি খাত: সরকারি খাতের পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়েও ঋণ গ্রহণের প্রবণতা আগের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে।

​সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ডলার সংকট ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে বিদেশি ঋণের এই বৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং ভবিষ্যৎ পরিশোধের সক্ষমতার ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করতে পারে।