সাটুরিয়ায় সাংবাদিকের মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত, টাকা ছিনতাই: থানায় অভিযোগ
- প্রকাশ : ০৪:৩৭:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
- / ৩০ বার পাঠিত

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় পূর্বশত্রুতার জেরে দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশের স্টাফ রিপোর্টার মো. জাহাঙ্গীর আলমের ওপর সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক মহল, বাজার কমিটি ও রাজনৈতিক নেতারা তীব্র নিন্দা জানিয়ে অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৬ অক্টোবর (বুধবার) রাত পৌনে ১০টার দিকে সাটুরিয়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর আলম বাজারস্থ রহমান মার্কেটের ১ নম্বর দোকানে তাঁর নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে সাটুরিয়া বাজারের বাসিন্দা মো. রাজু আহম্মেদের ছেলে মো. আমানত হোসেন (২২) তাঁকে লক্ষ্য করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। জাহাঙ্গীর আলম এর প্রতিবাদ করলে আমানত ধারালো দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাঁর মাথায় অতর্কিত আঘাত করে এবং সঙ্গে থাকা ব্যবসায়ের নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়। এ সময় তাঁর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত আমানত পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয়রা তাঁকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে সাটুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম সাটুরিয়া বাজারের একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী, ক্রীড়া সংস্থার সদস্য, প্রেস ক্লাব সাটুরিয়ার সিনিয়র সদস্য এবং সাটুরিয়া উপজেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক। তাঁর ওপর হামলার খবরে প্রেস ক্লাব সাটুরিয়া, বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী, সাটুরিয়া বাজার কমিটি এবং উপজেলা বিএনপিসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন ও দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থার দাবি জানান।
অভিযুক্ত আমানত হোসেনের পরিবার ও এলাকাবাসী জানান, আমানত দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের কথা না শুনে বেপরোয়া জীবনযাপন করছে। মাদকসেবীদের সঙ্গে সখ্যসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়া এই যুবকের যাতনায় তাঁর নিজের পরিবারও আতঙ্কিত। আমানতের পরিবার এই সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে এবং ছেলে যাতে ভবিষ্যতে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াতে না পারে ও সুস্থ জীবনে ফিরতে পারে, সে জন্য প্রশাসনের কাছে তার উপযুক্ত বিচার দাবি করেছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত আমানত পলাতক রয়েছে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে সাটুরিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
সাটুরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোশারফ হোসেন জানান, হামলার ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত আমানত হোসেনের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তাঁকে দ্রুত গ্রেপ্তারে পুলিশ প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।










