ঢাকা ০৮:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

ভুয়া স্ক্রিনশর্ট প্রচারের অভিযোগ অস্বীকার ঢাবি শিবির নেতার, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

প্রতিবেদকের নাম, পদবী
  • প্রকাশ : ০৩:১৭:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • / ২৪ বার পাঠিত

 

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা

​প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার কন্যা জাইমা রহমানকে নিয়ে ফেসবুকে ভুয়া স্ক্রিনশর্ট ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সাবেক তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক ও সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ। শুক্রবার দুপুরে ডাকসু ভবনের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জানান, সংশ্লিষ্ট বিতর্কিত পোস্টটি তিনি করেননি এবং বিষয়টি জানামাত্রই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি এর স্পষ্টীকরণ দিয়েছিলেন। প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনের জন্য তিনি নিজের ব্যবহৃত ফোনটি প্রয়োজনে ফরেনসিক পরীক্ষা করারও আহ্বান জানান। তিনি মনে করেন, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমেই আসল অপরাধীকে শনাক্ত করা সম্ভব।

আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ অভিযোগ করেন, ঘটনার পর থেকে তিনি ক্রমাগত প্রাণনাশের হুমকি পাচ্ছিলেন। নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে গেলেও পুলিশ তাকে সহায়তা করেনি। বরং থানার পক্ষ থেকে বিষয়টি গুরুত্ব না দিয়ে সময়ক্ষেপণ করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, সন্ধ্যায় থানায় অবস্থানকালে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের এক নেতার নেতৃত্বে একদল লোক অতর্কিত থানায় ঢুকে তাকে খোঁজাখুঁজি ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। একপর্যায়ে তিনি আত্মরক্ষার্থে একটি কক্ষে আশ্রয় নিলেও হামলাকারীরা সেখানে ঢুকে তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।

থানার ভেতরে এমন অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সময় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন এই শিবির নেতা। তিনি অভিযোগ করেন, পুলিশের উপস্থিতিতেই তার ওপর মানসিক ও মৌখিক আক্রমণ চালানো হলেও প্রশাসন ছিল নির্বিকার। রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে নিরাপত্তা দিতে পুলিশ ব্যর্থ হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ট্যাগ :

সংবাদটি শেয়ার করুন

ভুয়া স্ক্রিনশর্ট প্রচারের অভিযোগ অস্বীকার ঢাবি শিবির নেতার, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

প্রকাশ : ০৩:১৭:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

 

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা

​প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার কন্যা জাইমা রহমানকে নিয়ে ফেসবুকে ভুয়া স্ক্রিনশর্ট ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সাবেক তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক ও সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ। শুক্রবার দুপুরে ডাকসু ভবনের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জানান, সংশ্লিষ্ট বিতর্কিত পোস্টটি তিনি করেননি এবং বিষয়টি জানামাত্রই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি এর স্পষ্টীকরণ দিয়েছিলেন। প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনের জন্য তিনি নিজের ব্যবহৃত ফোনটি প্রয়োজনে ফরেনসিক পরীক্ষা করারও আহ্বান জানান। তিনি মনে করেন, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমেই আসল অপরাধীকে শনাক্ত করা সম্ভব।

আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ অভিযোগ করেন, ঘটনার পর থেকে তিনি ক্রমাগত প্রাণনাশের হুমকি পাচ্ছিলেন। নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে গেলেও পুলিশ তাকে সহায়তা করেনি। বরং থানার পক্ষ থেকে বিষয়টি গুরুত্ব না দিয়ে সময়ক্ষেপণ করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, সন্ধ্যায় থানায় অবস্থানকালে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের এক নেতার নেতৃত্বে একদল লোক অতর্কিত থানায় ঢুকে তাকে খোঁজাখুঁজি ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। একপর্যায়ে তিনি আত্মরক্ষার্থে একটি কক্ষে আশ্রয় নিলেও হামলাকারীরা সেখানে ঢুকে তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।

থানার ভেতরে এমন অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সময় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন এই শিবির নেতা। তিনি অভিযোগ করেন, পুলিশের উপস্থিতিতেই তার ওপর মানসিক ও মৌখিক আক্রমণ চালানো হলেও প্রশাসন ছিল নির্বিকার। রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে নিরাপত্তা দিতে পুলিশ ব্যর্থ হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।