ঢাকা ১২:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের একাংশ ও সার্ভিস সেতু যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত

স্টাফ রিপোর্টার: নান্নু মিয়া
  • প্রকাশ : ০৭:৪৬:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ২৬ বার পাঠিত

​বহুল প্রতীক্ষিত ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের ধউর মোড় থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত দুই লেন বিশিষ্ট প্রতিটি ৩.১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ দুটি সার্ভিস সেতু যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে।

​সকালে আশুলিয়ার ধউর এলাকায় ফিতা কেটে প্রকল্পটির এই অংশ উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী। এর পরপরই সেতুগুলো যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বর্তমান সরকারের নানামুখী পদক্ষেপে গত ছয় মাসে এই উড়াল সড়ক প্রকল্পের কাজ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে এগিয়েছে। আগামী বছরের মধ্যেই প্রকল্পের পুরো কাজ শেষ হবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

​উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মোড় সালাউদ্দিন বাবু, ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, সিএমসি প্রেসিডেন্ট কিউ আই ইয়ি এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ আব্দুর রউফ বক্তব্য রাখেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যরা প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

​তুরাগ নদের পানিপ্রবাহ উন্মুক্ত রাখতে আশুলিয়া বাজার থেকে ধউর বেড়িবাঁধ পর্যন্ত বিদ্যমান সড়কটি রাখা হচ্ছে না। ফলে কোনো ধরনের টোল ছাড়াই এখন থেকে সার্ভিস লেন ব্যবহার করে তুরাগ নদী পার হওয়া যাবে। এছাড়া তুরাগ নদের পানিপ্রবাহ নির্বিঘ্ন করতে ২.৭২ কিলোমিটার সেতু খুলে দেওয়া হয়েছে। বহু প্রতীক্ষিত এই অংশ চালুর ফলে স্থানীয় বাসিন্দা ও যানবাহন চালকদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটেছে এবং তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

​রাজধানীর অন্যতম ব্যস্ত এই প্রবেশপথ দিয়ে দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ নিশ্চিত করতে একনেকে অনুমোদনের পাঁচ বছর পর ২০২২ সালের ১২ নভেম্বর ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ শুরু হয়। নানা জটিলতার কারণে একসময় প্রকল্পের কাজ ধীরগতিতে চললেও বর্তমানে তা গতি পেয়েছে। চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি হয়েছে ৭২ শতাংশ।

​দ্বিতীয় সংশোধনীতে প্রায় ৫৪ দশমিক ১ শতাংশ ব্যয় বেড়ে বর্তমান প্রকল্পের মোট নির্মাণ ব্যয় দাঁড়িয়েছে ২৭,০৪৫ দশমিক ৬৭ কোটি টাকা। সংশোধিত প্রকল্পের নকশায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা, ভূগর্ভস্থ বৈদ্যুতিক লাইন, বিমানবন্দরের ৩ নম্বর টার্মিনালের সঙ্গে সংযোগ এবং বাইপাইলে একটি তৃতীয় তলা বিশিষ্ট দৃষ্টিনন্দন ট্রাম্পেট ইন্টারচেঞ্জ নির্মাণের কাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ট্যাগ :

সংবাদটি শেয়ার করুন

ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের একাংশ ও সার্ভিস সেতু যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত

প্রকাশ : ০৭:৪৬:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

​বহুল প্রতীক্ষিত ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের ধউর মোড় থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত দুই লেন বিশিষ্ট প্রতিটি ৩.১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ দুটি সার্ভিস সেতু যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে।

​সকালে আশুলিয়ার ধউর এলাকায় ফিতা কেটে প্রকল্পটির এই অংশ উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী। এর পরপরই সেতুগুলো যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বর্তমান সরকারের নানামুখী পদক্ষেপে গত ছয় মাসে এই উড়াল সড়ক প্রকল্পের কাজ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে এগিয়েছে। আগামী বছরের মধ্যেই প্রকল্পের পুরো কাজ শেষ হবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

​উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মোড় সালাউদ্দিন বাবু, ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, সিএমসি প্রেসিডেন্ট কিউ আই ইয়ি এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ আব্দুর রউফ বক্তব্য রাখেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যরা প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

​তুরাগ নদের পানিপ্রবাহ উন্মুক্ত রাখতে আশুলিয়া বাজার থেকে ধউর বেড়িবাঁধ পর্যন্ত বিদ্যমান সড়কটি রাখা হচ্ছে না। ফলে কোনো ধরনের টোল ছাড়াই এখন থেকে সার্ভিস লেন ব্যবহার করে তুরাগ নদী পার হওয়া যাবে। এছাড়া তুরাগ নদের পানিপ্রবাহ নির্বিঘ্ন করতে ২.৭২ কিলোমিটার সেতু খুলে দেওয়া হয়েছে। বহু প্রতীক্ষিত এই অংশ চালুর ফলে স্থানীয় বাসিন্দা ও যানবাহন চালকদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটেছে এবং তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

​রাজধানীর অন্যতম ব্যস্ত এই প্রবেশপথ দিয়ে দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ নিশ্চিত করতে একনেকে অনুমোদনের পাঁচ বছর পর ২০২২ সালের ১২ নভেম্বর ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ শুরু হয়। নানা জটিলতার কারণে একসময় প্রকল্পের কাজ ধীরগতিতে চললেও বর্তমানে তা গতি পেয়েছে। চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি হয়েছে ৭২ শতাংশ।

​দ্বিতীয় সংশোধনীতে প্রায় ৫৪ দশমিক ১ শতাংশ ব্যয় বেড়ে বর্তমান প্রকল্পের মোট নির্মাণ ব্যয় দাঁড়িয়েছে ২৭,০৪৫ দশমিক ৬৭ কোটি টাকা। সংশোধিত প্রকল্পের নকশায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা, ভূগর্ভস্থ বৈদ্যুতিক লাইন, বিমানবন্দরের ৩ নম্বর টার্মিনালের সঙ্গে সংযোগ এবং বাইপাইলে একটি তৃতীয় তলা বিশিষ্ট দৃষ্টিনন্দন ট্রাম্পেট ইন্টারচেঞ্জ নির্মাণের কাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।