ঢাকা ১২:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

পটুয়াখালীতে মসজিদের কক্ষ থেকে মুয়াজ্জিনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, মৃত্যুর কারণ নিয়ে রহস্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশ : ১০:১১:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬
  • / ৬ বার পাঠিত

​পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার একটি মসজিদের আবাসিক কক্ষ থেকে মো. সায়েম (২০) নামের এক তরুণ মুয়াজ্জিনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার মাগরিবের নামাজের পর উপজেলার পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের উত্তর পাঙ্গাশিয়া গ্রামের হাওলাদার বাড়ি বাইতুল মামুর জামে মসজিদ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

​নিহত সায়েম পটুয়াখালী সদর উপজেলার লাউকাঠি ইউনিয়নের জামুরা গ্রামের প্রয়াত জব্বার মৃধার ছেলে। তিনি গত দুই বছর ধরে ওই মসজিদে মুয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাগরিবের নামাজ শেষে স্থানীয় এক মুসল্লি মসজিদের ভেতরে সায়েমের থাকার কক্ষে গিয়ে তাকে মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় কক্ষের সিলিংয়ের সঙ্গে একটি দড়ি ঝুলতে দেখা যায়। খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে মসজিদের বারান্দায় নিয়ে আসেন, তবে তার আগেই তার মৃত্যু হয়।

​ঘটনাস্থলে দড়ি ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়ায় স্থানীয়দের একটি অংশ এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করছেন। তবে নিহতের স্বজনরা এই মৃত্যুকে স্বাভাবিক বা আত্মহত্যা বলে মানতে নারাজ। তাদের দাবি, এর পেছনে কোনো রহস্য রয়েছে।

​খবর পেয়ে দুমকি থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ট্যাগ :

সংবাদটি শেয়ার করুন

পটুয়াখালীতে মসজিদের কক্ষ থেকে মুয়াজ্জিনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, মৃত্যুর কারণ নিয়ে রহস্য

প্রকাশ : ১০:১১:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

​পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার একটি মসজিদের আবাসিক কক্ষ থেকে মো. সায়েম (২০) নামের এক তরুণ মুয়াজ্জিনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার মাগরিবের নামাজের পর উপজেলার পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের উত্তর পাঙ্গাশিয়া গ্রামের হাওলাদার বাড়ি বাইতুল মামুর জামে মসজিদ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

​নিহত সায়েম পটুয়াখালী সদর উপজেলার লাউকাঠি ইউনিয়নের জামুরা গ্রামের প্রয়াত জব্বার মৃধার ছেলে। তিনি গত দুই বছর ধরে ওই মসজিদে মুয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাগরিবের নামাজ শেষে স্থানীয় এক মুসল্লি মসজিদের ভেতরে সায়েমের থাকার কক্ষে গিয়ে তাকে মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় কক্ষের সিলিংয়ের সঙ্গে একটি দড়ি ঝুলতে দেখা যায়। খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে মসজিদের বারান্দায় নিয়ে আসেন, তবে তার আগেই তার মৃত্যু হয়।

​ঘটনাস্থলে দড়ি ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়ায় স্থানীয়দের একটি অংশ এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করছেন। তবে নিহতের স্বজনরা এই মৃত্যুকে স্বাভাবিক বা আত্মহত্যা বলে মানতে নারাজ। তাদের দাবি, এর পেছনে কোনো রহস্য রয়েছে।

​খবর পেয়ে দুমকি থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।