শ্রীপুরে ইউপি মেম্বারের বিরুদ্ধে মাটি ভরাট প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলন
- প্রকাশ : ০১:৫৩:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৬ বার পাঠিত

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার ৪ নম্বর তেলিহাটি ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. মিয়া হোসেনের বিরুদ্ধে সরকারি মাটি ভরাট প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
শুক্রবার ‘বেকাশাহরার সর্বস্তরের জনগণ’-এর ব্যানারে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে স্থানীয়রা বেকাশাহরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য বরাদ্দ করা মাটি ভরাট প্রকল্পের কাজ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন না করার অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের নেতা আশিকুল ইসলাম পিয়াল বলেন, “সরকার জনগণের উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন প্রকল্পে অর্থ ও সম্পদ বরাদ্দ করে। কিন্তু সেই বরাদ্দ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন না হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় সাধারণ মানুষ। বেকাশাহরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাটি ভরাটের জন্য যে সরকারি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, সেটির সঠিক ব্যবহার হয়েছে কি না—এটি তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন।”
তিনি বলেন, “আমাদের অভিযোগ কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে নয়। সরকারি সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন নিশ্চিত করাই আমাদের দাবি। একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়নকাজে কোনো ধরনের অনিয়ম বা অবহেলা হয়ে থাকলে তার দায় সংশ্লিষ্টদের নিতে হবে।”
আশিকুল ইসলাম পিয়াল আরও বলেন, “অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নিরপেক্ষ তদন্ত করা হোক। তদন্তে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের মাটি ভরাটের কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন করে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।”
সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয়রা দাবি করেন, সরকারি বরাদ্দ যথাযথভাবে ব্যবহার না করে বিদ্যালয়ের মাটি ভরাটের কাজে অবহেলা ও অনিয়ম করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রকল্পের বরাদ্দ, কাজের পরিমাণ ও বাস্তবায়নের চিত্র যাচাই করার দাবি জানান তারা।
এ সময় এলাকাবাসী অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত, প্রকল্পের হিসাব প্রকাশ এবং অনিয়মের সঙ্গে কেউ জড়িত থাকলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ইউপি সদস্য মো. মিয়া হোসেনের বক্তব্য জানা যায়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।



















