ঢাকা ১০:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬

জেদ্দায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত: স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান ধর্মমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশ : ০৯:৪১:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
  • / ১৩ বার পাঠিত

দেশি-বিদেশি সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক চেতনায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)। একই সঙ্গে তিনি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং সমতাভিত্তিক, বৈষম্যহীন ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

​শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে সৌদি আরবের জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল আয়োজিত ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

​ধর্মমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর এ দেশের দেশপ্রেমিক সিপাহি ও মুক্তিকামী জনতা এক ঐতিহাসিক বিপ্লবের মাধ্যমে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিয়েছিল। তিনি আরও বলেন, জাতীয় ইতিহাসের প্রতিটি সংকটময় মুহূর্তে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বীর উত্তম, এক দূরদর্শী ও নির্ভীক নেতৃত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ চট্টগ্রামের স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে তাঁর স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার চূড়ান্ত অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিল। পরবর্তীতে তিনি ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে রক্ষা করে বহুদলীয় গণতন্ত্র, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং উন্নয়ন ও উৎপাদনের নতুন রাজনৈতিক ধারার সূচনা করেন।

​সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও রূপরেখা তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বে ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহাল রেখেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৭ নভেম্বরকে রাষ্ট্রীয় পূর্ণ মর্যাদায় ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হয়েছে এবং জাতীয় ছুটিসহ একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

​তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এমন এক বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে, যেখানে কোনো বৈষম্য ও ফ্যাসিবাদের স্থান থাকবে না এবং নিশ্চিত হবে আইনের শাসন, বাকস্বাধীনতা ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা। দিবসটির তাৎপর্য ধারণ করে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দল-মত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার শপথ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

​কনস্যুলেট আয়োজিত এই সভায় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ, জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল, কাউন্সেলর (হজ), মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, প্রবাসী বাংলাদেশি এবং বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ :

সংবাদটি শেয়ার করুন

জেদ্দায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত: স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান ধর্মমন্ত্রীর

প্রকাশ : ০৯:৪১:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

দেশি-বিদেশি সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক চেতনায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)। একই সঙ্গে তিনি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং সমতাভিত্তিক, বৈষম্যহীন ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

​শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে সৌদি আরবের জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল আয়োজিত ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

​ধর্মমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর এ দেশের দেশপ্রেমিক সিপাহি ও মুক্তিকামী জনতা এক ঐতিহাসিক বিপ্লবের মাধ্যমে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিয়েছিল। তিনি আরও বলেন, জাতীয় ইতিহাসের প্রতিটি সংকটময় মুহূর্তে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বীর উত্তম, এক দূরদর্শী ও নির্ভীক নেতৃত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ চট্টগ্রামের স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে তাঁর স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার চূড়ান্ত অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিল। পরবর্তীতে তিনি ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে রক্ষা করে বহুদলীয় গণতন্ত্র, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং উন্নয়ন ও উৎপাদনের নতুন রাজনৈতিক ধারার সূচনা করেন।

​সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও রূপরেখা তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বে ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহাল রেখেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৭ নভেম্বরকে রাষ্ট্রীয় পূর্ণ মর্যাদায় ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হয়েছে এবং জাতীয় ছুটিসহ একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

​তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এমন এক বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে, যেখানে কোনো বৈষম্য ও ফ্যাসিবাদের স্থান থাকবে না এবং নিশ্চিত হবে আইনের শাসন, বাকস্বাধীনতা ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা। দিবসটির তাৎপর্য ধারণ করে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দল-মত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার শপথ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

​কনস্যুলেট আয়োজিত এই সভায় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ, জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল, কাউন্সেলর (হজ), মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, প্রবাসী বাংলাদেশি এবং বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।