জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস: নয়াপল্টন থেকে জিয়া উদ্যানে আশুলিয়া থানা যুবদলের বিশাল র্যালি।
- প্রকাশ : ০৩:৫০:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
- / ১৯ বার পাঠিত

ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের অংশ হিসেবে রাজধানী ঢাকায় এক বিশাল ও বর্ণাঢ্য র্যালি করেছে ঢাকা জেলাধীন আশুলিয়া থানা যুবদল।
আশুলিয়া থানা যুবদলের সাবেক সভাপতি রকিব দেওয়ান রকি ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক তাইজুল ইসলাম তাজুলের যৌথ ও গতিশীল নেতৃত্বে এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়।
দিবসটি উপলক্ষে রাজধানীর পল্টন এলাকা থেকে আশুলিয়া থানা যুবদলের হাজারো নেতাকর্মী খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে জড়ো হন। পরবর্তীতে সেখান থেকে এক বিশাল ও সুশৃঙ্খল র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে শেরেবাংলা নগরস্থ চন্দ্রিমা উদ্যানে (জিয়া উদ্যান) গিয়ে শেষ হয়। এরপর যুবদলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ও উপস্থিত কর্মীরা আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি, সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে গভীর শ্রদ্ধা জানান। মাজার প্রাঙ্গণে শহীদ রাষ্ট্রপতির বিদেহী আত্মার মাগফিরাত এবং দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর সিপাহী-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লব বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক অনন্য বাঁক বদল ঘটিয়েছিল। তৎকালীন রাজনৈতিক সংকট, বিশৃঙ্খলা এবং আধিপত্যবাদী চক্রান্তের নাগপাশ ছিন্ন করে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছিল এ দেশের বীর জনতা ও সিপাহীরা। এই ঐতিহাসিক বিপ্লবের মাধ্যমেই জাতীয় রাজনীতির অন্তরীক্ষে আবির্ভূত হন মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তাঁর সুদূরপ্রসারী নেতৃত্বে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনরুজ্জীবন ঘটে এবং উৎপাদনমুখী রাজনীতির সূচনা হয়, যা বাংলাদেশের স্বাতন্ত্র্য ও অগ্রযাত্রাকে বিশ্বমঞ্চে সুদৃঢ় করেছিল।
কর্মসূচি শেষে আশুলিয়া থানা যুবদলের নেতৃবৃন্দ গণমাধ্যমকে জানান, ৭ই নভেম্বরের চেতনাই হচ্ছে দেশের স্বাধীনতা রক্ষা, জনগণের মৌলিক অধিকার এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করার মূল শক্তি। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের গণতন্ত্রকামী যুবসমাজ যেকোনো স্বৈরাচারী শক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে এবং জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।




















