ঢাকা ০৪:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রেমের টানে সুদূর চীনদেশ থেকে দিনাজপুরের হিলিতে চীনের যুবক।

স্টাফ রিপোর্টার: এস এ অলক
  • প্রকাশ : ০৫:৫৭:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৮ বার পাঠিত

প্রেম মানে জাতি, ধর্ম, বর্ণ কিংবা দেশের সীমানা, এরই যেন নতুন উদাহরণ তৈরি হয়েছে দিনাজপুরের হাকিমপুর (হিলি) পৌরসভার মাঠপাড়া গ্রামে। বাংলাদেশি তরুণী রাইসা আক্তারের (২১) প্রেমের টানে সুদূর চীন থেকে হিলিতে এসে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন চীনা নাগরিক পংফং (৩৭)। ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে তার নতুন নাম রাখা হয়েছে মোহাম্মদ আলী।
ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়ার পর চীনা এই যুবককে এক নজর দেখতে রাইসার বাড়িতে স্থানীয় উৎসুক জনতার ঢল।

শুক্রবার  (২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬)  চীনা যুবক পংফং ও প্রেমিকা রাইসা আক্তার তারা বাড়িতে আসেন। গত ২০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে আসেন এবং তিনি গাজীপুর আদালতে হাজির হয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে মোহাম্মদ আলী নাম নেন এবং রাইসাকে বিয়ে করেন বলে জানান পরিবারের সদস্যরা।

স্থানীয়রা জানান, পংফং পেশায় একজন গার্মেন্টস বায়ার। তার বাড়ি চীনের হুবেই প্রদেশে। তার বাবার নাম ফাংলে জুন এবং মায়ের নাম শিয়ান চিং। অন্যদিকে রাইসা আক্তার হিলির মাঠপাড়া এলাকার রিয়াজুল হকের মেয়ে। তিনি ঢাকায় একটি গার্মেন্টসে চাকরি করেন।

রাইসা আক্তার জানান, ঢাকায় গার্মেন্টসে চাকরির সুবাদে পংফংয়ের চাচার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে চীনে বিয়ে করে সেখানে যাওয়ার ইচ্ছার কথা তাকে জানান। পরে ওই ব্যক্তি তার ভাতিজা পংফংয়ের সঙ্গে রাইসার পরিচয় করিয়ে দেন। মোবাইল ফোনে তাদের নিয়মিত যোগাযোগ শুরু হয়। একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং তারা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন।

রাইসা বলেন, আমি তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে সে রাজি হয়। আমাকে বিয়ে করার জন্য গত ২০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে আসে এবং গাজীপুর আদালতে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে। ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার পর বর্তমান তার নাম মোহাম্মদ আলী। এরপর সে আমাকে বিয়ে করেছে। এতে আমার পরিবার ও এলাকাবাসী সবাই খুশি।
রাইসার নানা বলেন, আমার নাতনি ঢাকায় চাকরি করেন সেখানে তার সঙ্গে চীনা নাগরিকের পরিচয় হয়। তারা একে অপরকে পছন্দ করেছে এবং প্রেমের টানে চীনা যুবক বাংলাদেশে এসে আমার নাতনিকে বিয়ে করেছে। বৃহস্পতিবার রাতে তারা বাড়িতে এসেছে। এতে পরিবারের সবাই আনন্দিত।
সুদূর চীন থেকে প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসে বিয়ে করায় বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। দাম্পত্য জীবন সুখী হোক প্রত্যাশা স্থানীয় ব্যাক্তি গণের।

ট্যাগ :

সংবাদটি শেয়ার করুন

প্রেমের টানে সুদূর চীনদেশ থেকে দিনাজপুরের হিলিতে চীনের যুবক।

প্রকাশ : ০৫:৫৭:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রেম মানে জাতি, ধর্ম, বর্ণ কিংবা দেশের সীমানা, এরই যেন নতুন উদাহরণ তৈরি হয়েছে দিনাজপুরের হাকিমপুর (হিলি) পৌরসভার মাঠপাড়া গ্রামে। বাংলাদেশি তরুণী রাইসা আক্তারের (২১) প্রেমের টানে সুদূর চীন থেকে হিলিতে এসে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন চীনা নাগরিক পংফং (৩৭)। ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে তার নতুন নাম রাখা হয়েছে মোহাম্মদ আলী।
ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়ার পর চীনা এই যুবককে এক নজর দেখতে রাইসার বাড়িতে স্থানীয় উৎসুক জনতার ঢল।

শুক্রবার  (২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬)  চীনা যুবক পংফং ও প্রেমিকা রাইসা আক্তার তারা বাড়িতে আসেন। গত ২০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে আসেন এবং তিনি গাজীপুর আদালতে হাজির হয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে মোহাম্মদ আলী নাম নেন এবং রাইসাকে বিয়ে করেন বলে জানান পরিবারের সদস্যরা।

স্থানীয়রা জানান, পংফং পেশায় একজন গার্মেন্টস বায়ার। তার বাড়ি চীনের হুবেই প্রদেশে। তার বাবার নাম ফাংলে জুন এবং মায়ের নাম শিয়ান চিং। অন্যদিকে রাইসা আক্তার হিলির মাঠপাড়া এলাকার রিয়াজুল হকের মেয়ে। তিনি ঢাকায় একটি গার্মেন্টসে চাকরি করেন।

রাইসা আক্তার জানান, ঢাকায় গার্মেন্টসে চাকরির সুবাদে পংফংয়ের চাচার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে চীনে বিয়ে করে সেখানে যাওয়ার ইচ্ছার কথা তাকে জানান। পরে ওই ব্যক্তি তার ভাতিজা পংফংয়ের সঙ্গে রাইসার পরিচয় করিয়ে দেন। মোবাইল ফোনে তাদের নিয়মিত যোগাযোগ শুরু হয়। একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং তারা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন।

রাইসা বলেন, আমি তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে সে রাজি হয়। আমাকে বিয়ে করার জন্য গত ২০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে আসে এবং গাজীপুর আদালতে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে। ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার পর বর্তমান তার নাম মোহাম্মদ আলী। এরপর সে আমাকে বিয়ে করেছে। এতে আমার পরিবার ও এলাকাবাসী সবাই খুশি।
রাইসার নানা বলেন, আমার নাতনি ঢাকায় চাকরি করেন সেখানে তার সঙ্গে চীনা নাগরিকের পরিচয় হয়। তারা একে অপরকে পছন্দ করেছে এবং প্রেমের টানে চীনা যুবক বাংলাদেশে এসে আমার নাতনিকে বিয়ে করেছে। বৃহস্পতিবার রাতে তারা বাড়িতে এসেছে। এতে পরিবারের সবাই আনন্দিত।
সুদূর চীন থেকে প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসে বিয়ে করায় বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। দাম্পত্য জীবন সুখী হোক প্রত্যাশা স্থানীয় ব্যাক্তি গণের।